প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চীন আবারও তাইওয়ান প্রণালিকে কেন্দ্র করে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক বৈঠকের এক দিন পরেই বেইজিং ফুজিয়ান উপকূলসংলগ্ন এলাকায় সরাসরি গোলাবর্ষণ মহড়া শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই মহড়া দুই দিন চলবে এবং এটি চীনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ফুজিয়ান প্রদেশের উপকূলঘেঁষা তাইওয়ান প্রণালির একাধিক এলাকায় পরিচালিত হচ্ছে।
এই মহড়ার ঘোষণাটি আসে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর বৈঠকের পর। আলোচনায় বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক বিষয়বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল, যার মধ্যে গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত তাইওয়ানের বিষয়টির গুরুত্বও ছিল। চীন বরাবরই তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করে এসেছে, যদিও তাইপে সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে চলছে।
চীনের সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছে, ফুজিয়ানের দংশান দ্বীপসংলগ্ন এলাকায় প্রতিদিন স্থানীয় সময় সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গোলাবর্ষণ মহড়া অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ্য, দংশান দ্বীপটি গুয়াংডং প্রদেশের সীমান্তবর্তী উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত।
এর আগে গত ডিসেম্বরে চীন তাইওয়ানকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া পরিচালনা করেছিল। ওই মহড়ার আগে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের জন্য রেকর্ড ১১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল।
ওই সময় চীনের ইস্টার্ন থিয়েটার কমান্ড প্রায় ১০ ঘণ্টাব্যাপী সরাসরি গোলাবর্ষণ মহড়া চালিয়ে তাইওয়ানের উত্তর ও দক্ষিণের জলসীমার দিকে রকেট নিক্ষেপ করেছিল। বিশ্লেষকদের মতে, তাইওয়ানকে ঘিরে চীনের ধারাবাহিক সামরিক তৎপরতা অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলছে এবং বেইজিং ও ওয়াশিংটন সম্পর্কের উপরেও নতুন চাপ সৃষ্টি করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন