প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গোপালগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এজলাসে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীর দিকে পেপার ওয়েট ছুড়ে মারার ঘটনায় বিচারক মো. সুজন মিয়াকে তাৎক্ষণিকভাবে বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিচারকের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপের ফলে তাকে আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত কর্মকর্তা (সিভিল জজ) হিসেবে প্রেষণে বদলি করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) তারিখে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ (বিচার শাখা-১) থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করা হয়েছে উপপরিচালক (প্রশাসন-১) এ. এফ. এম. গোলজার রহমানের স্বাক্ষরে।
এতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে গোপালগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুজন মিয়াকে (আইডি: ২০২৪২১৬০৬২) অবিলম্বে বর্তমান পদের দায়িত্বভার অর্পণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে তিনি আইন ও বিচার বিভাগে যোগদান করতে পারেন।
এর আগে, গত বুধবার (২২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার সময় গোপালগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ২ নম্বর আদালতে এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে। এজলাসে বিচার কার্যক্রম চলাকালে উপস্থিত লোকজনের শোরগোল বন্ধ করতে গিয়ে বিচারক মো. সুজন মিয়া ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এমন পরিস্থিতিতে তিনি নিজের টেবিলে থাকা পেপার ওয়েট ছুঁড়ে মারেন। সেটির আঘাত লাগে এজলাসে মামলার নথিপত্র দেখতে থাকা সাবিহা সুলতানা নামে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীর মাথায়। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হন তিনি।
আহত সাবিহা সুলতানাকে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে সহকর্মীরা গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনার পর, গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে বিষয়টি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও উচ্চ পর্যায়ে অবহিত করা হয়। সার্বিক পরিস্থিতির পর্যালোচনায় আজ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিচারক মো. সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন