প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দীর্ঘ প্রায় পাঁচ দশকের অপেক্ষার পর অবশেষে সিরিয়া মুক্তি পেল। যুক্তরাষ্ট্র সোমবার দেশটির নাম সন্ত্রাসবাদের মদদদাতা রাষ্ট্রের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। এর ফলে সিরিয়ায় নতুন বিনিয়োগের জন্য একটি বড় বাধা দূর হলো।
এই পদক্ষেপের সঙ্গে সঙ্গে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ সিরিয়ার ওপর থেকে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞাও তুলে নিয়েছে। ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, "এই সিদ্ধান্ত সিরিয়ায় নতুন বিনিয়োগ আনবে।" তিনি আরও বলেন, "এটি দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে সাহায্য করবে।" প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিরিয়াকে নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তির প্রতিশ্রুতি এটি বাস্তবায়নের একটি প্রতিফলন।
শুধু রাষ্ট্র হিসেবেই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক সন্ত্রাসী তালিকা থেকেও বাদ পড়েছে ‘হায়াত তাহরির আল-শাম’ বা এইচটিএস-এর নাম। আগে তারা ‘আল-নুসরা ফ্রন্ট’ নামে পরিচিত ছিল এবং একসময় আল-কায়েদার শাখা হিসেবে কাজ করেছিল। তবে ২০১৬ সালে তারা আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে নিজেদের ভাবমূর্তি পরিবর্তনের চেষ্টা করে।
২০২৪ সালে সিরিয়ায় আসাদ পরিবারের দীর্ঘ ৫০ বছরের শাসনের পতন ঘটে। এরপর আহমেদ আল-শারা দেশটিকে ঐক্যবদ্ধ করার উদ্যোগ নেন। এক সময় সশস্ত্র বিদ্রোহী হিসেবে পরিচিত হলেও, এখন তিনি নতুন পরিচয়ে সামনে এসেছেন। মূলত তার প্রতি আস্থা রেখেই গত জুলাইয়ে সিরিয়াকে এই তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি তুরস্কে ন্যাটোর একটি সম্মেলনের ফাঁকে শারার সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।
তবে ট্রেজারি বিভাগ একটি বিষয় পরিষ্কার করেছে। সিরিয়া থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠলেও, বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ দমনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আগের মতোই থাকবে। সিরিয়ার ভেতরে কেউ অপরাধমূলক কাজ করলে যুক্তরাষ্ট্র তার বিচার করতে ছাড়বে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন