প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নিষিদ্ধ মাদক গ্রহণের কারণে পাকিস্তানের অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নাওয়াজকে আইসিসি তিন মাসের জন্য নিষিদ্ধ করেছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালে তার ডোপ পরীক্ষায় পজিটিভ ফল আসে। এর ফলস্বরূপ, আইসিসির মাদকবিরোধী আইন অনুযায়ী তাকে এই শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। তবে, তার নিষেধাজ্ঞার সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় মাঠে ফিরতে এখন তার আর কোনো বাধা নেই।
চলতি বছরের শুরুতে, ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে পাকিস্তানের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ম্যাচ শেষে, মোহাম্মদ নাওয়াজের ডোপ পরীক্ষা করা হয়। ওই পরীক্ষায় তার শরীরে ‘কার্বক্সি-টিএইচসি’ শনাক্ত হয়, যা আইসিসির ডোপবিরোধী বিধিমালায় নিষিদ্ধ পদার্থ হিসেবে উল্লেখ আছে।
এদিকে, ৩২ বছর বয়সী নাওয়াজ নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগটি গ্রহণ করেছেন। একই সঙ্গে, তিনি আইসিসির কাছে এমন তথ্য ও নথি জমা দিয়েছেন যা থেকে বোঝা যায় টুর্নামেন্ট চলাকালে তিনি নিষিদ্ধ মাদক গ্রহণ করেননি। তার বক্তব্য, এটি কোনোভাবেই পারফরম্যান্স বাড়ানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়নি।
আইসিসির ডোপিংবিরোধী বিধিমালা অনুযায়ী এই ধরনের অপরাধে সাধারণত তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। তবে, আইসিসি অনুমোদিত মাদক নিরাময় ও পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশ নিতে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কারণে তার শাস্তি এক মাস করা হয়েছে।
গত ১ মে থেকে নাওয়াজ স্বেচ্ছায় সাময়িক নিষেধাজ্ঞা মেনে নিয়েছিলেন। সেই দিন থেকেই তার শাস্তির মেয়াদ গণনা শুরু হয়। ইতোমধ্যে, তিনি আড়াই মাসেরও বেশি সময় ধরে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের বাইরে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। ফলস্বরূপ, নিষেধাজ্ঞার নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় এখন তার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে, পুনর্বাসন কর্মসূচিটি সম্পূর্ণ করা তার জন্য বাধ্যতামূলক। সেটি সফলভাবে শেষ করলে এই ঘটনায় নতুন করে কোনোরূপ শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে না।
অন্যদিকে, আইসিসি জানিয়েছে, ডোপিংবিরোধী বিধিমালা অনুযায়ী, ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে শুরু করে ১ মে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়া পর্যন্ত নেওয়াজের সব ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান— রান, উইকেট ও অন্যান্য পারফরম্যান্স বাতিল বলে গণ্য হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন