প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান ও বাংলাদেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বকে অর্থনৈতিক অগ্রগতি, নতুন সুযোগ এবং অভিন্ন সমৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে পরিণত করার সংকল্প ব্যক্ত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষ কর্মসংস্থান এবং পারস্পরিক লাভজনক ব্যবসায়িক উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ দুই দেশের সহযোগিতাকে আরও বৃদ্ধি করতে চায়।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘কানতেই’-এ অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক শেষে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে উভয় দেশের জন্য একটি আরও সহনশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব। এমন একটি অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে হবে, যা বর্তমান প্রজন্মের কল্যাণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্থায়ী ভিত্তি তৈরি করবে।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, "বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে জাপানের বিশেষ স্থান রয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার অভিন্ন লক্ষ্য দুই দেশের বন্ধুত্বের ভিত্তি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জাপান প্রথম দিকেই বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশটি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে আর্থসামাজিক অগ্রগতি ও অবকাঠামো উন্নয়নে অবদান রেখে আসছে।
দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আলোচনার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), রেলপথ, অবকাঠামো, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে দুই দেশ অঙ্গীকার করেছে। সম্পর্ক আরও গভীর করতে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ক্ষেত্রে চুক্তি ও সমঝোতা বিনিময়ও হয়েছে।
বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে জাপানের বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, "বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির পরবর্তী পর্যায়ে জাপানি অংশীদারদের অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন