প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বরিশাল নগরীর একটি মাদ্রাসার পরিচালকের বিরুদ্ধে একাধিক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা ঘটেছে নগরীর সিএন্ডবি রোডের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাজীপাড়া তেমাথা এলাকায় অবস্থিত তাহফিজুল মিল্লাত মডেল মাদ্রাসায়।
শনিবার দুপুরে এই বিষয়টি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত মাদ্রাসার পরিচালক শফিকুল ইসলাম বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে না।
কোতয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লুৎফর রহমান জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মাদ্রাসায় গেলেও সেখানে পরিচালক শফিকুল ইসলামকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, বিষয়টি জানতে পেরে তিনি মাদ্রাসায় আসেন। সেখানে এসে তিনি কয়েকজন শিক্ষার্থীর পরিচালকের অনৈতিক আচরণের অভিযোগের কথা শোনেন। তিনি সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
ওই অভিভাবক আরও বলেন, মাদ্রাসা ভবনের বাড়িওয়ালার সঙ্গেও তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। বাড়িওয়ালা দাবি করেছেন, পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করে সন্ধ্যার মধ্যে তাকে উপস্থিত হতে বলেছেন। অন্যথায়, মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন বাড়িওয়ালা।
মাদ্রাসার শিক্ষক মো. বায়জিদ মন্তব্য করেছেন, শিক্ষার্থীরা শিশু এবং অভিভাবকেরা তাদের শিক্ষার জন্য শিক্ষকদের ওপর আস্থা রেখে মাদ্রাসায় পাঠান। তিনি বলেন, "কোনো শিক্ষক অনৈতিক বা অনৈসলামিক আচরণ করলে তার নেতিবাচক প্রভাব শিশুদের ওপর পড়তে পারে।"
অভিযোগকারী এক শিক্ষার্থী জানায়, শিক্ষককে সম্মান করার কারণে এবং পরিবেশের কথা চিন্তা করে সে বিষয়টি প্রথমে কাউকে জানাতে সাহস পায়নি। অন্য এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে, এমন ঘটনার শিকার হলে তার মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত লাগত।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে শফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন