প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ধুলো, ধোঁয়া এবং ক্ষতিকর কণার উপস্থিতি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে, বায়ুমান স্কোর ২১৪ নিয়ে পাকিস্তানের লাহোর তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। বাতাসের এই মানকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। অপরদিকে, ৪৪ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা তালিকার ৬২ নম্বরে রয়েছে। বাতাসের এই মান নাগরিকদের জন্য ‘অনেক ভালো’ বলে বিবেচিত হয়।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, দূষিত শহরের তালিকায় ২১৪ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুচিং শহর, যার স্কোর ১৭৬। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা, যার স্কোর ১৭৫। ভারতের কলকাতা ১৬৮ স্কোর নিয়ে তালিকার ৪ নম্বরে এবং পঞ্চম স্থানে থাকা ভিয়েতনামের হ্যানয়ের স্কোর ১৬০।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত হয়। ৩০১-এর বেশি স্কোর ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো, বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।
২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া এবং নির্মাণ সাইটের ধুলা।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের কারণে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন