প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টাঙ্গাইলের মধুপুরে দীর্ঘদিন ভোগদখলে থাকা ক্রয়কৃত জমি বিক্রি ও চাষাবাদে বাধা, গালিগালাজ ও হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ফজলুল হক মনি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মধুপুর প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ১৯৫৯ সালের ৩১ জুলাই তাঁর চাচা দুদু মিয়া সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে তাঁকে ও তাঁর বড় ভাই তোফাজ্জল হোসেনকে ১০৭ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি দেন। এতে তার অংশ ৫৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। পরে ১৯৮২ সালের ১০ নভেম্বর তাঁর বাবা কালা মিয়া হেবা দলিলের মাধ্যমে একই দাগে তাঁকে আরও ২২ শতাংশ জমি দেন। দুটি দলিল অনুযায়ী তাঁর মোট জমির পরিমাণ ৭৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
জমিগুলো মধুপুর উপজেলার পুন্ডুরা মৌজার সিএস খতিয়ান নম্বর ৩৩-এর ৩৫৪ দাগ ও হাল দাগ নম্বর ৫০৪-এ অবস্থিত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে জমি ভোগদখল করে আনারস ও সেগুনের বাগান করেছেন বলে দাবি করেন।
ফজলুল হক মনি বলেন, তার ছোট ভাই বকুল মিয়া ১৯৭৯ সালে একই দাগে হেবা দলিলের মাধ্যমে জমি পান। বকুল মিয়ার মৃত্যুর পর তার পরিবারের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ শুরু হয়। সম্প্রতি জমির একটি অংশ বিক্রির জন্য সম্ভাব্য ক্রেতাকে নিয়ে পরিমাপ ও আগাছা পরিষ্কার করতে গেলে বকুল মিয়ার ছেলে রিপন, লিটন ও ইদুল তাঁকে, তার ছেলে ও ক্রেতাকে গালিগালাজ ও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে প্রায় সাত মাস ধরে জমি বিক্রি, চাষাবাদ ও ব্যবহার করতে পারছেন না বলেও জানান।
বিরোধ মীমাংসায় মধুপুর পৌরসভায় শালিস ও জমি পরিমাপের উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিবাদী পক্ষ উপস্থিত হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। পরে থানায় অভিযোগ দিলে উভয় পক্ষকে ডেকে দলিলপত্র ও বক্তব্য শোনা হয়। গত ২৮ সেপ্টেম্বর পুলিশ দীর্ঘদিনের দখল বজায় রেখে শান্তিপূর্ণভাবে থাকার পরামর্শ দেয় এবং অসন্তুষ্ট হলে আদালতের আশ্রয় নিতে বলে।
জমির বিরোধের সুষ্ঠু সমাধান, বিক্রি ও চাষাবাদে বাধা বন্ধ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ফজলুল হক মনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন