প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরানের ওপর নতুন হামলা চালানো বা চাপ অব্যাহত রাখার বিষয়টি এখনও বিবেচনায় রয়েছে। তবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী জানায়, তারা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর বিরুদ্ধে গুলি চালানোর জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠিত এক জনসভায় শুক্রবার ট্রাম্প তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী আবারও ‘এপিক ফিউরি’-এর মতো অভিযান চালাতে পারে। এই অভিযানটি যুদ্ধের শুরুতে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক বোমা হামলার ইঙ্গিত দেয়। তিনি পূর্বে প্রশ্ন তুলেছিলেন, ইরানের ওপর বড় ধরনের হামলা সংঘাত দ্রুত শেষ করবে, নাকি নৌ-অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে তেহরানের ওপর চাপ অব্যাহত রাখা উচিত।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের প্রধান আলী আবদোল্লাহি জোর দিয়ে বলেন, তেহরানের কাছে যেকোনো জলযানকে লক্ষ্যবস্তু করার সক্ষমতা রয়েছে। এর ফলে মার্কিন নৌবাহিনীর পক্ষে ইরানের আঞ্চলিক জলসীমায় বা তার আশপাশে পুনরায় প্রবেশ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সময় শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট কেবল স্বপ্নই দেখতে পারেন যে, তাদের সৈন্য ও সামরিক বাহিনী আবারও পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করবে। এই আকাঙ্ক্ষা নিয়ে তাদের চিরতরে কবরে যেতে হবে।’
আবদোল্লাহি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ নিয়ে বাগাড়ম্বরের মধ্যে একটি মৌলিক স্ববিরোধিতা বিদ্যমান। তারা দাবি করে যে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা যুদ্ধের সময় অনেকাংশেই ধ্বংস হয়ে গেছে, কিন্তু তাদের একটি আচরণই এই দাবিকে ভুল প্রমাণ করে। তা হলো, নিজেদের বিমানবাহী রণতরি ও সহযোগী জাহাজগুলোকে ইরানি ভূখণ্ডের কাছাকাছি নিয়ে আসতে যুক্তরাষ্ট্রের অস্বীকৃতি।
তিনি আরও বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর চালানো আকস্মিক হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরানি বাহিনী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে এক ‘কাদামাঠ’ বা গোলকধাঁয় ‘ডুবিয়ে দিতে’ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই ঘটনা আট মাসব্যাপী এক যুদ্ধের সূচনা ঘটিয়ে পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন