প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সম্প্রতি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ‘ধর্ম অবমাননার’ অভিযোগে শামীম রেজা (জাহাঙ্গীর) নামের এক সুফি সাধককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। একই অভিযোগে ময়মনসিংহে পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকেও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। জামায়াত অধ্যুষিত সাতক্ষীরায় ‘ডিজিটাল মব সন্ত্রাস’ করে ওয়াহিদুজ্জামান শামীম নামের একজনকে হত্যা করা হয়। এসব ঘটনার মাধ্যমে কী প্রমাণিত হচ্ছে? নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে আইনের শাসন কি সামঞ্জস্যপূর্ণ? যখন দেশকে ‘মৌলবাদের উত্থান’ রাষ্ট্র প্রমাণের অপচেষ্টা চলছে দেশি ও আন্তর্জাতিকভাবে, তখন বিএনপির নেতাকর্মীরা কি নিস্তব্ধ হয়ে রয়েছেন?
সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া এলাকায় পল্লি চিকিৎক ওয়াহিদুজ্জামান শামীমের বিরুদ্ধে গত ১৩ অক্টোবর ফেসবুকে অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তোলা হয়। স্থানীয়ভাবে ‘ফেসবুক লাইভ’ করে লোক জড়ো করে শামীমকে প্রথম দফায় গণপিটুনি দেয়া হয়। পুলিশ তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে, রাতে কয়েকশো মানুষের একটি উগ্র মব হাসপাতালের পেছনের দরজা ভেঙে ওয়ার্ড থেকে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় পিটিয়ে হত্যা করে। নিহত যুবকটি দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন, পরিবারের দাবি অনুযায়ী। এই বর্বরোচিত ঘটনার পর দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এই পৈশাচিক ঘটনার প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘দেশ (উগ্র) ডানপন্থার ট্রেনে উঠে গেছে। হরেক রঙের নরম-গরম ডান মিলে এটা নিশ্চিত করে ছাড়বে। এসব ডিজিটাল মব আদতে সিস্টেমেটিক প্রোপাগান্ডা ও ক্যারেক্টার এসাসিনেশন মেকানিজম। এ মেকানিজমকে এড়িয়ে যাওয়ার উপায় সহসা নেই।’
তিনি পোস্টে সংস্কারের আড়ালে ক্ষমতার লোভে প্রধান দলগুলোর রাজনৈতিক অবস্থানকে দায়ী করে বলেন, ‘সংস্কারের নামে (ক্ষমতার জন্য?) বিএনপির বিরোধিতা করতে গিয়ে জাশির (জামায়াত-শিবির) কাছে যাওয়ার খেসারত সেকুলার সমাজের দিতেই হবে। ট্রাডিশনাল আলেম সমাজকেও জাশিকে সার্ভিস দেয়ার খেসারত দিতে হবে।’
রাজনৈতিক পূর্বাভাসে মাহফুজ আলমের মতে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক অবস্থান যত শক্তিশালী হবে, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফিরে আসার সম্ভাবনা ততটাই অনিবার্য হয়ে উঠবে। তিনি ব্যঙ্গাত্মক সুরে লেখেন, ‘গুড টাইম ইজ কামিং ফর জাশি এন্ড ৭২ আদার্স। এ আশু ভবিষ্যৎ পাল্টানোর সাধ্য আপাতত কারো নেই।’ দেশের বিএনপি ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের সমালোচনা করে লেখেন, ‘তোমরা বাকিরা আপাতত জাশি প্রযোজিত কালচারাল ওয়ারে নিজেদের ব্যস্ত রাখো।’
দীর্ঘ দেড় যুগ পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায়। দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতির উন্নয়ন, বিদেশি বিনিয়োগ এনে দেশে বেকারত্ব দূরীকরণ এবং নানামুখী সংকট থেকে উত্তরণের চেষ্টা যখন চলছে; তখন একের পর এক অপ্রীতিকর ঘটনা কেন ঘটছে? এর নেপথ্যে কারা? দিল্লিতে বসে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ‘উগ্রবাদী রাষ্ট্র’ তকমা দেয়ার মিশন পরিচালনা করছে; হিন্দুত্ববাদী ভারত বাংলাদেশে ‘মৌলবাদী রাজনীতি উত্থান’ প্রচারণা চালাচ্ছে। শেখ হাসিনা ও ভারতের এসব এজেন্ডা বাস্তবায়নের সুযোগ সৃষ্টি করতে ধর্মের নামে একের পর এক পৈশাচিক কাণ্ড ঘটানো হচ্ছে। কখনো অস্থায়ী পূজা মণ্ডপের পাশে গরুর গোশত রান্না করা, কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে হিজাব নিয়ে বিশৃঙ্খলা, কখনো ডাকসুতে জিন্নাহর ছবি টানানো নিয়ে বিশৃঙ্খলা ইস্যু সৃষ্টি রহস্যজনক নয় কি?
ইসলাম ধর্ম কখনোই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেয় না। ‘ইসলাম’ শব্দের আভিধানিক অর্থ শান্তি। ইসলামকে শান্তির ধর্ম বলা হয় কারণ এর মূল শিক্ষা ও দর্শন মানবজীবনে ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি ও শৃংখলা প্রতিষ্ঠা করা। ইসলামী চিন্তাবিদরা বলে থাকেন, ইসলামে জবরদস্তি বা বিনা কারণে সহিংসতা নিষিদ্ধ। মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে ক্ষমা ও উদারতার আদর্শ স্থাপন করেছেন। এমনকি পশু-পাখির প্রতিও অযথা নিষ্ঠুরতা না করার এবং তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করার শিক্ষা ইসলামে রয়েছে। অথচ কারণে অকারণে ইসলাম ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে কখনো ‘মব সন্ত্রাস’ করে কখনো ‘ডিজিটাল মব’ করে মানুষ হত্যার ঘটনা ঘটছে। আইনের শাসনের সঙ্গে এ ধরনের বর্বরতা, পৈশাচিকতা যায় না। অথচ ৯২ ভাগ মুসলমানের দেশে জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকার পরও ‘উগ্রবাদী মব সন্ত্রাস’ নীরব দর্শক হয়ে দেখছে।
বিএনপি ক্ষমতায়; দলটি তৃণমূল পর্যায়ে অনেক শক্তিশালী এবং রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে দলটির নেতাকর্মীরা ছড়িয়ে রয়েছেন। দল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকলে সে দলের নেতাকর্মীদের উপর আইন শৃংখলা পরিস্থিতি রক্ষা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সমাজে ইনসাফের রাজনীতি চর্চার দায়িত্ব পড়ে। ৮ মাস আগে ক্ষমতায় আসা দলটির নেতাকর্মীরা যেন এসব দায়িত্বকে থোড়াইকেয়ার করে নিজেদের ‘ভাগ্যের পরিবর্তনে’ অধিক মনোযোগী হয়ে পড়েছেন। ইসলামী ধারার রাজনীতি তথা ‘আল্লাহর আইন কায়েম’ দোহাই দিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা হচ্ছে, হিন্দুত্ববাদী ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়নে একের পর এক অপ্রীতিকর ঘটনার জন্ম দেয়া হচ্ছে ধর্মের দোহাই দিয়ে; তারপরও বিএনপি যেন নিজেদের মধ্যে হারিয়ে গেছে।
‘ইসলামের’ নামে জামায়াতের রাজনীতির মর্মকথা অনুধাবন করে সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম যে উপলব্ধি করেছেন, ‘গুড টাইম ইজ কামিং ফর জাশি (জামায়াত-শিবির) অ্যান্ড ৭২ আদার্স (আওয়ামী লীগ)। এ আশু ভবিষ্যত পাল্টানোর সাধ্য আপাতত কারো নেই। আর, জাশি যত গুড টাইমে যাবে, ততই লীগ ফেরা অনিবার্য হয়ে উঠবে। উই আর গোয়িং ব্যাক টু সেভেন্টি-ওয়ান। যেখানে বিএনপির একাংশ জাশির দুনিয়ায়, অন্য অংশ লীগের দুনিয়ায় বাস করবে। তোমরা বাকিরা আপাতত জাশি প্রযোজিত কালচারাল ওয়ারে নিজেদের ব্যস্ত রাখো।’ বিএনপির নেতাদের এই উপলব্ধি হতে তো বড় পণ্ডিত প্রয়োজন নেই। তাহলে কি বিএনপির নেতা-মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-এমপিরা দলের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের বদলে নিজেদের ‘পদ-পদবি’ ভোগ বিলাসে বেশি ব্যস্ত?
এটা ঠিক অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের শাসনামলে দেশে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা হয়েছে। আইন শৃংখলা বাহিনীর অমনযোগিতার সুযোগ নিয়ে ‘মব সন্ত্রাস’ এ ২৫৯ জন নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। ওই সময় অন্তর্বর্তী সরকারের আশপাশের লোকজনের প্রচ্ছন্ন পৃষ্ঠপোষকতায় সংঘটিত এ মব সন্ত্রাসের সুফল ভোগ করেছে জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে জন্ম নেয়া দল এনসিপি। পুলিশকে অন্ধকারে রেখে নানা অজুহাতে মব সন্ত্রাস করায় ফ্যাসিস্ট হাসিনার সুবিধাভোগ বড় বড় ব্যবসায়ী-শিল্পপতিরা ‘মব সন্ত্রাস’ থেকে বাঁচতে রাতের আঁধারে মব সন্ত্রাসের মাস্টারমাইণ্ডদের অর্থ দিতেন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে গরুর গোশতের ফাও ঝোলের জন্য যারা অপেক্ষা করতেন দেড় বছরের মধ্যেই তারা কোটিপতি হন। বাসে ঝুলে যাতায়াত করতেন, এখন তারা প্রাডো, বিএমডব্ল্উি গাড়িতে ঘুরে বেড়ান। অন্তর্বর্তী সরকার ছিল অনির্বাচিত এবং তাদের জনগণের প্রতি জবাবদিহিতা তেমন ছিল না। কিন্তু নির্বাচিত বিএনপি সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেয়া। শেখ মুজিবের শাসনামলে ১৯৭৩ সালে প্রখ্যাত রাজনীতিক নির্মল সেন লিখেছিলেন ‘স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারাস্টি চাই’। ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে ডিজিটাল মব করে সুফিসাধক শামীম রেজা (জাহাঙ্গীর), পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাস, ওয়াহিদুজ্জামান শামীমকে হত্যার ঘটনা কি দেশে স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টির বার্তা দেয়?
এটা ঠিক ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখনো তিনি দেশেকে ‘জঙ্গী রাষ্ট্র’ ও ‘ইসলামী মৌলবাদীদের উত্থান’ প্রমাণের চেষ্টা করেছেন। ১৯৯৮-৯৯ সালে যখন ব্রিটিশ প্রিন্স চার্লস এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন বাংলাদেশ সফর করেন, তখন তাদের হাতে ‘বাংলাদেশে জঙ্গীবাদের উত্থান’ ফিরিস্তি তুলে ধরে বই উপহার দেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে পশ্চিমাদের ‘জঙ্গী তকমা’ প্রমাণের জন্য জঙ্গী ধারার অনেক নাটক করেছেন শেখ হাসিনা ও তার তথাকথিত প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবীরা। দেরিতে হলেও মার্কিনীরা বুঝতে পেরে ‘জঙ্গী’ ইস্যু থেকে সরে এসেছে। কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত পলাতক শেখ হাসিনা ভারতে বসে দিল্লির প্রযোজনায় ‘বাংলাদেশে মৌলবাদীদের উত্থান’ প্রচারণা চালাচ্ছে। এমন অপপ্রচার বোঝার পরও জামায়াতে ইসলামী জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের রাজনীতি চর্চার নামে ‘দেশকে মৌলবাদীর উত্থান’ প্রমাণের জন্য একের পর এক কাণ্ড করছে। যেটা সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ধরতে পেরে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। অথচ ক্ষমতাসীন বিএনপির নীতি নির্ধারকরা মব সন্ত্রাস, মৌলবাদের উত্থান ইস্যুর বাড়বাড়ন্তেও নীরবতা পালন করছেন। হিন্দুত্ববাদী ভারত ও শেখ হাসিনা যৌথভাবে বাংলাদেশকে একটি ‘মৌলবাদী বা উগ্রবাদী রাষ্ট্র’ তকমা দেয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। তারেক রহমানের সরকারের বিরুদ্ধে জামায়াতের লংমার্চ কর্মসূচির পর থেকে এই ধরনের অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র আরো বেগবান হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বট বাহিনীর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের নেতিবাচক ভাবমর্যাদা তৈরির চেষ্টা চলছে। দিল্লিতে পলাতক হাসিনা ও দেশীয় একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন বিচ্ছিন্ন ঘটনা ও সামাজিক বিশৃংখলাকে অতিরঞ্জিত করে বিশ্বদরবারে উপস্থাপন করছে। দেশি-প্রবাসী সাংবাদিক বিদেশি গণমাধ্যমে ‘বাংলাদেশের সম্প্রীতি’ নষ্ট করার জন্য পরিকল্পিতভাবে ভুয়া তথ্য ও গুজব ছড়াচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাধারণ অপরাধ বা সামাজিক আইনশৃংখলার অবনতিকে ধর্মীয় এবং উগ্রবাদী রূপ দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশকে একটি অস্থিতিশীল এবং উগ্রপন্থী রাষ্ট্র হিসেবে ব্র্যান্ডিং করা। যা দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং ভূ-রাজনৈতিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অথচ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী করতে নানা ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছেন। দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং মুক্তচিন্তার সুরক্ষায় ক্ষমতাসীন দল ও নাগরিক সমাজের ঐক্যবদ্ধ থাকা যখন জরুরি। তখন সুশীল সমাজ ঘুমিয়ে এবং ক্ষমতাসীন বিএনপি নীরব দর্শক। বিএনপির এই নীরবতা দেশকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে একবার ভেবে দেখা উচিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন