প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা , ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের জাতীয় সম্পদ ইলিশের নিরাপদ প্রজনন, বংশবিস্তার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬‘ বাস্তবায়নে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার‘-এর আওতায় নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
গত ৮ অক্টোবর থেকে সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নদ-নদীতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার, নৌবাহিনী জাহাজ ‘বানৌজা কুশিয়ারা‘ বরিশাল জেলার হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ, গোবিন্দপুর, লাহারহাট, বাবুগঞ্জ, চরমোনাই, শ্রীপুর এবং পাতারহাট তৎসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে।
এ সময় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় বিভিন্ন সরঞ্জামাদিসহ জাল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিধি মোতাবেক জব্দকৃত জাল ধ্বংস করা হয়।
নৌবাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকাসমূহে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে মোট ৩০ লাখ ৩১ হাজার ৬২০ মিটার অবৈধ জাল এবং অন্যান্য ৭৪টি জাল জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২৫ কোটি ৭৮ লাখ ৯৬ হাজার ৯০০ টাকা।
সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নদ-নদীসহ জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রজননের সম্ভাব্য স্থানসমূহে নৌবাহিনী নিবিড় নিরাপত্তা প্রদান করছে। নৌবাহিনীর জাহাজের পাশাপাশি বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট ও দ্রুতগতির বোটের মাধ্যমে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে প্রজননকালীন ইলিশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে নৌবাহিনীর সদস্যগণ।
গত ৮ অক্টোবর শুরু হওয়া এ অভিযান আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এ সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ এলাকাতেও সব প্রজাতির মাছ আহরণ নিষিদ্ধ রয়েছে।
ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করা, অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধ এবং দেশের সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরীণ জলসম্পদ সংরক্ষণে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রাচুর্য বৃদ্ধি এবং দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন