প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা প্রদান করার লক্ষ্যে এক জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছেন সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের চিফ অব স্টাফেরা। ইয়েমেন থেকে নতুন করে ধারাবাহিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়ার পর এই উদ্যোগ যৌথভাবে গ্রহণ করা হয়েছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সি জানায়, নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে যৌথ সিদ্ধান্তের কথা জানান সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ, পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তবে, তিন দেশের সামরিক প্রধানদের বৈঠকটি কবে অনুষ্ঠিত হবে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মক্কাসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনার বিরুদ্ধে পরিচালিত সাম্প্রতিক হামলাগুলোর তীব্র নিন্দা জানান। নেতারা একই সঙ্গে জাতিসংঘের সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সৌদি আরবের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার রয়েছে বলে পুনর্ব্যক্ত করেন।
এর আগে চলতি বছরের ৭ আগস্ট যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে এই তিন দেশ। ন্যাটোর ধাঁচে গঠিত এই চুক্তির মূল শর্ত অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ হলে তা জোটভুক্ত বাকি সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।
উল্লেখ্য, চুক্তির পর থেকেই তা বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে মিত্র দেশগুলো। গত ৩১ আগস্ট ইস্তাম্বুলে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক প্রধানদের উপস্থিতিতে গঠিত হয় ‘কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটি’। এতে সৌদি আরবে একটি স্থায়ী সচিবালয় স্থাপনসহ কৌশলগত সহায়তা জোরদারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তায়েফ ও ইয়ানবুর দিকে ছুড়ে মারা ৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন