প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের আর্থিক খাত সংস্কারের অগ্রগতিকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটি মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলায় কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রাখার পাশাপাশি উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে নির্ভরযোগ্য নীতি কৌশল তৈরির পরামর্শ দিয়েছে।
দেশের বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানে স্থবিরতার মধ্যেও মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং জনজীবনে স্বস্তি নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বেশ কয়েকটি সুপারিশ করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আইএমএফের বার্ষিক সম্মেলনের চতুর্থ দিনে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক আউটলুক প্রকাশনার অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য করণীয় সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে আইএমএফ কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রাখার পরামর্শ দেয়। অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদী শক্তিশালীকরণের জন্য নির্ভরযোগ্য নীতি কৌশল তৈরির উপর গুরুত্বারোপ করে সংস্থাটি।
এর কিছুক্ষণ পর, আইএমএফের এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসনের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী চলমান আর্থিক সংস্কারের অগ্রগতি নিয়ে বৈঠক করেন।
এর পরপরই, সংস্থাটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল বৈঠকে যোগ দেয়।
বৈঠক শেষে, আমির খসরু জানান, নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের আর্থিক খাতের বিশ্বাসযোগ্য সংস্কারে আস্থা রাখছে।
তিনি বলেন, ‘তবে ব্যাংকিং খাত, কর-জিডিপি অনুপাতসহ কিছু বিষয়ে সংস্থাটির যে পর্যবেক্ষণ রয়েছে, সেটা থাকা স্বাভাবিক। বাংলাদেশেরও কিছু বিষয়ে নিজস্ব পর্যবেক্ষণ রয়েছে। এরইমধ্যে অনেক বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে এবং বেশ কিছু বিষয় সমাধান হয়েছে। বাকি বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে। আগামী কয়েক মাস ধরে এ প্রক্রিয়া চলতে পারে।’
আইএমএফের সঙ্গে নতুন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এ নিয়ে আলোচনা ভালো হয়েছে এবং তা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আগামী দিনগুলোতে আলোচনা অব্যাহত রেখে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন