প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্যিক জাহাজে জলদস্যুতার ঘটনা বেড়েছে, এই বিষয়টি উল্লেখ করে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। সংগঠনটি নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ বিষয়ে জরুরি একটি চিঠি পাঠিয়েছে।
বুধবার পাঠানো ওই চিঠিতে চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক উল্লেখ করেন যে, গত এক মাসে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে তিনটি বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজে জলদস্যুতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় কয়েক কোটি টাকার মালামাল, জাহাজের সরঞ্জাম ও মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি হয়েছে। এর ফলে বিদেশি জাহাজের মালিক, শিপিং এজেন্ট ও নাবিকদের মাঝে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে যে, বহির্নোঙরের নিরাপত্তাহীনতা শুধুমাত্র শিপিং শিল্পের জন্য নয়, তা জাতীয় অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তির জন্যও বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। এ ধরনের ঘটনার ফলে বিদেশি শিপিং অপারেটরদের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেতে পারে, যা ভবিষ্যতে অতিরিক্ত বীমা ব্যয়, জাহাজ পরিচালনায় বিলম্ব এবং বাণিজ্য ব্যয় বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।
চেম্বার সভাপতি আরও বলেন, যেখানে সরকার ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ উন্নত এবং ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে, সেখানে এ ধরনের ঘটনা সেই লক্ষ্য অর্জনে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
চিঠিতে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, সাম্প্রতিক দস্যুতা ও চুরির ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এতে বৈশ্বিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকবে।
এ পরিস্থিতিতে বিনিয়োগবান্ধব ও নিরাপদ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে, বহির্নোঙরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কোস্টগার্ডের টহল জোরদার, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং অপরাধী চক্রের সদস্যদের পাশাপাশি চোরাই মালামাল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম চেম্বার।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন