প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্ব বিনোদন দুনিয়ার ঝলমলে আলোকচ্ছটার পেছনের গল্পটি যদি কারো নকশায় আঁকা হয়ে থাকে, তবে তিনি বব ম্যাকি। শের, টিনা টার্নার, ডলি পার্টন এবং এলটন জনের মতো কালজয়ী তারকাদের রূপালী পর্দা ও মঞ্চের জাদুকরী উপস্থিতি ফুটিয়ে তুলতে তিনি ছিলেন অগ্রগামী। ফ্যাশন জগতে ‘সুলতান অব সিকুইনস’ নামে পরিচিত এই আমেরিকান কস্টিউম ডিজাইনার ৮৭ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেছেন।
১৯৩৯ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেরি পার্কে জন্মগ্রহণকারী এই পথপ্রদর্শকের ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল ফরাসি-আমেরিকান পোশাকশিল্পী জঁ লুইয়ের স্কেচ আর্টিস্ট হিসেবে। ১৯৬২ সালে জন এফ কেনেডিকে ‘হ্যাপি বার্থডে’ গাওয়ার রাতে মেরিলিন মনরো যে আইকনিক পোশাকটি পরেছিলেন, তার স্কেচও তিনি তৈরি করেছিলেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ৯টি এমি, একটি টনি অ্যাওয়ার্ড এবং তিনটি অস্কার মনোনয়ন অর্জন করেন।
পপতারকা শের-এর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে প্রভাবশালী রূপকার হিসেবে ম্যাকি পরিচিত ছিলেন। ১৯৮৬ সালের অস্কারে শের-এর পরা ঐতিহাসিক ‘মোহক’ শিরোভূষণ ও সাহসী পোশাকটির ডিজাইনার তিনিই। মার্কিন টেলিভিশনে প্রথমবারের মতো পোশাকের মাধ্যমে তারকার নাভি প্রদর্শনের মতো সাহসী পদক্ষেপের পেছনে তার নকশার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। নবীন প্রজন্মের সঙ্গেও তিনি ছিলেন সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। ২০২৪ সালের গ্র্যামিতে মাইলি সাইরাসের বিজয়ী মুহূর্তের পোশাক কিংবা সম্প্রতি সাবরিনা কার্পেন্টারের রেড কার্পেট লুক—সবকিছুতেই তার ছোঁয়া ছিল।
জীবনের শেষ দিনগুলো পর্যন্ত কাজ করে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে এই শিল্পী একবার বলেছিলেন, কাজ থেকেই কখনো অবসর নিতে চান না তিনি। ৮৭ বছরের দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ জীবন শেষে তার প্রয়াণে ফ্যাশন দুনিয়ায় একটি উজ্জ্বল অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে, তবে তার তৈরি চোখধাঁধানো সৃষ্টিগুলো তারকাদের রূপালী ছন্দে চিরকাল বেঁচে থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন