প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপ ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজানোর সঙ্গে সঙ্গে একদিকে উন্মাদনা এবং অন্যদিকে বিষাদের ছায়া দেখা যায়। অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের লক্ষ্যভেদে ১-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে স্পেন, আর্জেন্টিনা ডিফেন্সের বাধা ভেঙে। ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের ট্রফি উঁচিয়ে ধরে স্পেন বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট মাথায় পরে। মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিশ্বজয়ের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেন স্প্যানিশ তারকা লামিনে ইয়ামাল।
অন্যদিকে, ৩৯ বছর বয়সে নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে পরাজিত হয়ে মাঠ ছাড়েন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি। তবে ম্যাচ শেষে স্প্যানিশদের বাঁধভাঙা উদযাপনের মাঝে এক হৃদয়স্পর্শী দৃশ্যের সৃষ্টি করেন ইয়ামাল। কান্নাভেজা চোখে দাঁড়িয়ে থাকা মেসির কাছে গিয়ে তাকে উষ্ণ আলিঙ্গনে আবদ্ধ করেন এই তরুণ তুর্কি।
সেই বিশেষ মুহূর্তে মেসিকে তিনি ঠিক কী বলেছিলেন, তা সম্প্রতি ‘দ্য গার্ডিয়ান’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে খোলসা করেছেন ইয়ামাল। স্প্যানিশ এই ফরোয়ার্ড জানান, ‘আমি তাকে (মেসি) জড়িয়ে ধরে বলেছিলাম—ফুটবলের জন্য আপনি যা কিছু দিয়েছেন, তার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’
মেসি ও ইয়ামালের সম্পর্কের রসায়ন বহু বছর আগে থেকেই শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি পুরোনো ছবিতে দেখা যায়, শিশুবয়সী ইয়ামালকে গোসল করাচ্ছেন তরুণ মেসি। সেই ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ফুটবলাঙ্গনে দুজনের তুলনা শুরু হয়।
তবে এই ছবি বা তুলনা নিয়ে নিজের অসন্তুষ্টির কথাও জানান ইয়ামাল। ছবিটি তিনি শুরুতে সবার সামনে আনতে চাননি। এমনকি বাবার পোস্ট করা সেই ছবি ফেসবুক থেকে মুছে ফেলতেও বলেছিলেন।
ইয়ামাল বলেন, ‘মানুষ আমাকে আমার নিজের পরিচয়ে না চিনে সব সময় মেসির সঙ্গে তুলনা করবে—এই ভয়টাই ছিল। আমি সবসময় কেবল লামিনে হতে চেয়েছি, মেসি নয়। ফুটবলে আমি আমার নিজের যোগ্যতা দিয়ে যতদূর সম্ভব এগিয়ে যেতে চাই।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন