প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের পাশাপাশি কিশোরগঞ্জে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরে আত্মশুদ্ধিমূলক অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এই বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
বিবৃতিতে টিআইবি উল্লেখ করে, রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে মধ্যরাতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ বিদ্যমান। পুলিশের উপস্থিতিতে এমন ঘটনা ঘটার অভিযোগ সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের জন্য বিব্রতকর দৃষ্টান্ত হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, "প্রায় অর্ধশত বছর ধরে দরিদ্র ও অসহায় নারী-শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসা একটি প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের হামলা ও জবরদখলের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক।" তিনি আরও বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক দল ও সরকারের প্রতি জনগণের আস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিএনপির নেতাকর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে দখলবাজি, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে।
সংস্থাটির দাবি, বাস টার্মিনাল, ফুটপাত, বাজার, জলমহাল, বালুমহাল, হাটবাজার, ক্যাবল ও ইন্টারনেট ব্যবসাসহ বিভিন্ন খাতে দখল ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।
কিশোরগঞ্জের জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ এবং একটি কনটেন্ট ক্রিয়েটরের কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে টিআইবি বলেছে, এসব ঘটনা রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সংঘটিত ধারাবাহিক ঘটনাবলির অংশ। তবে এসব অভিযোগের প্রতিটি ঘটনার স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন বলেও সংস্থাটি জানিয়েছে।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দখলবাজি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠলে শুধুমাত্র সাংগঠনিক ব্যবস্থা নয়, একইসঙ্গে আইন অনুযায়ী কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক। অন্যথায় স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। প্রতিটি ঘটনার যথাযথ তদন্ত করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন