প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পিরোজপুরের চিতলিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগের বিরুদ্ধে বরিশালে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে নগরীর বগুড়া রোডে অবস্থিত বরিশাল জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের সামনে এ কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ বরিশাল জেলা কমান্ড ও মহানগর কমান্ডের ব্যানারে আয়োজন করা এই কর্মসূচিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা, তাদের পরিবারের সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
মানববন্ধনে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম ফরিদ বলেন, দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করা বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর গার্ড অব অনার ও দাফনে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো পুরুষ সদস্যকে কবরে যেতে দেওয়া হয়নি। পরে মানিক পশারীর বোন ও মেয়ে কবর খুঁড়ে সেখানে তাকে দাফন করেন। ঘটনাটিকে তিনি ঘৃণ্য উল্লেখ করে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি করেন। একই সঙ্গে বরিশালে জামায়াতে ইসলামীকে সামাজিকভাবে বয়কটের ঘোষণা দেন তিনি।
মানিক পশারী পিরোজপুর সদর উপজেলার চিতলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তার পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জামাতার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। দুই মাস অসুস্থ থাকার পর গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে স্বজনেরা তার মরদেহ নিয়ে পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদে আসেন। সেখানে গার্ড অব অনার দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেন তারা। পরে মরদেহ পিরোজপুর পুলিশ লাইনসে নেওয়া হলে সেখানে তাঁকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
পরিবারের অভিযোগ, দিনভর বাধার মুখে পড়ার পর শনিবার রাত দেড়টার দিকে মানিক পশারীর মেয়ে ও বোনের খোঁড়া কবরে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন