প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০০৩ সালের অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো টেস্ট খেলতে গিয়েছিল। মহাপরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচেই বাংলাদেশ দল বাজেভাবে হেরে গেলেও স্টিভ ওয়াহর মতো কিংবদন্তির প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন হান্নান সরকার।
অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে গ্লেন ম্যাকগ্রা, জেসন গিলেস্পি, ব্রেট লিদকে সামলে হান্নান টানা দুই ইনিংসে ফিফটি করেছিলেন। এর ফলে কেয়ানর্সে শেষ টেস্টটি চারদিনে গিয়েছিল। ২৩ বছর পর আবারও যখন বাংলাদেশ দল অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে গেছে, তখন হান্নান পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করলেন। সাবেক ওপেনার জানালেন, অস্ট্রেলিয়ার সবাই সেটি মনে করেছিল বাংলাদেশ ২ দিনেই হেরে যাবে।
কিন্তু তাদের ভুল প্রমাণ করে তার দল প্রথম ম্যাচ তৃতীয় ও দ্বিতীয় ম্যাচ চতুর্থ দিনে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। আজ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে হান্নান বলেছেন, ‘সেই সময় বিশ্বের সেরা বোলিং আক্রমণ ছিল অস্ট্রেলিয়ার। ওই বোলিং লাইনআপের বিপক্ষে আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল কীভাবে ম্যাচটাকে লম্বা করতে পারি। হয়তো আমরা যাওয়ার আগে অস্ট্রেলিয়ার মিডিয়া বা স্থানীয় মানুষজন চিন্তা করেছিল ২ দিনেই টেস্ট শেষ হয়ে যাবে।
সেখান থেকে আমরা ম্যাচ তিন দিনে বা চার দিনে নিয়ে গিয়েছি। এখানে কিছুটা উন্নতি দেখা গেছে।’ ২০০৩ সালে মহাপরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা দুই ইনিংসে ফিফটি করেছিলেন হান্নান সরকার।
অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে মুশফিক, শান্ত ও তানজিদদের ভালো করতে হলে কী করা উচিত, সেই টোটকাও দিয়েছেন বর্তমানে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের প্রধান কোচ হান্নান। তিনি বলেন, ‘তানজিদ তামিম যদি অস্ট্রেলিয়ায় নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে, তবে বড় খেলোয়াড় হতে পারে। তানজিদ তামিম যে ধরনের শট খেলে, টেস্ট ক্রিকেটেও এই ধরনের শট খেলা অপরিহার্য।
কিন্তু কখন এই শটগুলো খেলা উচিত, সে বিষয়ে টেস্ট ক্রিকেটের জন্য আলাদা করে নজর দেওয়ার প্রয়োজন।’ মুশফিকের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে হান্নান বলেন, ‘মুশফিক এই দলে সবচেয়ে সিনিয়র খেলোয়াড়। তিনি নিশ্চিতভাবেই তরুণদের পরামর্শ দেবেন এবং পথ দেখাবেন।’
তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে ভালো কিছু করতে হলে বোলিং বিভাগই দায়িত্ব নিতে হবে, এই ব্যাপারে হান্নান মনে করেন। সেজন্য অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের শক্তি ও দুর্বলতা বিচার করে আলাদা পরিকল্পনা সাজানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি, ‘ট্রাভিস হেডকে আপনি আটকে রাখতে পারবেন না। সে যদি দ্রুত ৩০-৪০ রান করে ফেলে, তবুও করে। কিন্তু এরপরও যদি আমরা তার উইকেট নিতে পারি, তাহলে সেই রানটাকে আর বড় করতে পারবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন