প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
উজানের পাহাড়ি ঢলে ভাঙনের কবলে পড়া রংপুরের গঙ্গাচড়ার তিস্তা সেতুরক্ষা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান কার্যালয়ের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ভাস্কর কান্তি চৌধুরী, ভবন ব্যবস্থাপনা ও সেতু বাস্তবায়ন শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবাদত আলী এবং নির্বাহী প্রকৌশলী তাপস চক্রবর্তী উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদল বাঁশের পাইলিং দিয়ে নির্মিত স্পার এবং নৌকাযোগে তিস্তা নদীর বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন। এ সময় তারা নদীর গতিপ্রকৃতি, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ডিজাইন) উম্মে মাহফুজা হক, রংপুরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব, নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, এলজিইডি রংপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মূসা, গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার, লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী এবং উপজেলা বিএনপির নেতা ওয়াহেদুজ্জামান মাবুসহ অন্যরা।
পরিদর্শন শেষে এলজিইডির কর্মকর্তারা জানান, দ্রুত বিশেষজ্ঞ দলের মতামত নিয়ে তিস্তা সেতুরক্ষা বাঁধে ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় চলমান ভাঙন ঠেকাতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবাদত আলী বলেন, ‘গত বছর বুয়েটের এক প্রকৌশলীর পরামর্শে প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে বাঁশের পাইলিং করে বাঁধ সুরক্ষার কাজ করা হয়েছিল। সীমিত ব্যয়ের এ উদ্যোগ চলতি বছরের তীব্র স্রোতের মধ্যেও বাঁধকে কিছুটা সুরক্ষা দিয়েছে। তবে এবারও ভাঙন দেখা দেওয়ায় আমরা সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শন করছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে বুয়েটের নদী বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এলাকা পরিদর্শন করা হবে। পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে ভাঙন রোধে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়েও কাজ চলছে।’
এদিকে উজানের ঢল কমে আসায় তিস্তা নদীর পানিও কমতে শুরু করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, বুধবার বিকেল ৩টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার এবং কাউনিয়া পয়েন্টে ৩১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন