প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইকোসকের অনুষ্ঠিত বৈঠকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ এবং নেপালের এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর ওপর জোরালো আবেদন জানানোর পর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সুপারিশ করেছে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক)। বুধবার (২১ জুলাই) ইকোসকের বৈঠকে সদস্য রাষ্ট্রগুলো সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ ও নেপালের এই প্রস্তাবের সঙ্গে সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে সাধারণ পরিষদকে এ সুপারিশ করে। বৈঠকে আমাদের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বাংলাদেশ এবং নেপালের পক্ষে প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধের পটভূমি তুলে ধরেন। তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয়তা ও যৌক্তিকতা উল্লেখ করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, এলডিসি থেকে মসৃণ, টেকসই এবং স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত প্রস্তুতিকাল অপরিহার্য। এর আগে, কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) উভয় দেশের আবেদন পর্যালোচনা করে মতামত দেয় যে, বাংলাদেশ এবং নেপালের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা উচিত। এই সুপারিশের ভিত্তিতে ইকোসক সাধারণ পরিষদকে আগামী ২৪ নভেম্বর ২০২৬-এর আগে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সুপারিশ করেছে। বর্তমানে, ওই তারিখেই বাংলাদেশ ও নেপালের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের সময় নির্ধারিত রয়েছে। সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার পর রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বাংলাদেশের এলডিসি থেকে টেকসই উত্তরণের প্রতি সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, সাধারণ পরিষদ প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় নীতিগত পদক্ষেপ এবং সংস্কার বাস্তবায়নের পাশাপাশি এলডিসি-উত্তর পর্বের জন্য দেশের প্রস্তুতি আরও সুদৃঢ় করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন