প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের বাধা পার হয়ে, এবার নকআউট পর্বের মহাভারতে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন এবং অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য এই ম্যাচে যে দল জয়ী হবে, তারা পর্তুগাল অথবা ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে শেষ ষোলোতে লড়বে। আজ রাত বাংলাদেশ সময়ের হাইভোল্টেজ এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।
এবারের বিশ্বকাপে অন্যতম ফেবারিট হিসেবে তারা যাত্রা শুরু করলেও, স্পেনের পথটা খুব একটা নজরকাড়া হয়নি। কেপ ভার্দের সঙ্গে তাদের প্রথম ম্যাচটি শেষ হয়েছিল গোলশূন্য ড্র'তে। এরপর সৌদি আরবকে ৪-০ গোলে হरा দেয় লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলটি। এর পর উরুগুয়ের বিপক্ষে তারা ১-০ ব্যবধানে একটি কষ্টার্জিত জয় নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে মাঠ ছাড়ে। তারপরও স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে মনে করেন যে, তার দল নিজেদের ঘাটতিগুলো কাটিয়ে উঠছে এবং সঠিক পথে রয়েছে। সমর্থকদের উচ্চ প্রত্যাশার চাপকে ইতিবাচকভাবে দেখতে চান তিনি এবং জানিয়েছেন, তার দল যে কোন পরিস্থিতি মোকাবিলা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত।
অন্যদিকে, ১৯৫৪ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে রালফ রাংনিকের অস্ট্রিয়া। গ্রুপ পর্বে জর্ডানকে হারিয়ে, আর্জেন্টিনার কাছে পরাজিত হয়ে এবং আলজেরিয়ার সঙ্গে একটি রোমাঞ্চকর ড্র করে তারা রানার্স-আপ হিসেবে এই পর্যায়ে এসেছে। তাদের গ্রুপ পর্বে স্পেনের চেয়ে একটি গোল বেশি হয়েছে। কিন্তু কোচ রাংনিক জানেন যে, ২০২৩ সালের মার্চ থেকে টানা ৩৪ ম্যাচে অপরাজিত থাকা স্পেনের বিরুদ্ধে জিততে হলে তাদের পারফরম্যান্স আরও উন্নত করতে হবে।
এই ম্যাচের একটি প্রধান আকর্ষণের নাম হল স্পেনের ১৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামাল। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা এই খেলোয়াড় নিয়ে অস্ট্রিয়া বাড়তি পরিকল্পনা করছে। অস্ট্রিয়ান কোচ রাংনিক স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তিনি ইয়ামালের খেলা উপভোগ করেন, কিন্তু আজ মাঠে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চান। ইয়ামাল যেন বল পায়ে ড্রিবলিং করার সুযোগ না পান, সেটাই অস্ট্রিয়ার রক্ষণের প্রধান লক্ষ্য।
স্পেনের জন্য ইনজুরির সমস্যা কিছুটা ধাক্কা নিয়ে এসেছে। কলারবোনের চোটের কারণে ইয়েরেমি পিনো এবং হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে নিকো উইলিয়ামস এই ম্যাচ থেকে বাদ পড়েছেন। অন্যদিকে, অস্ট্রিয়া শিবিরের কোনো ইনজুরি বা নিষেধাজ্ঞা নেই, যা কোচ রাংনিককে পূর্ণ শক্তির দল নামানোর সুবিধা দিচ্ছে। যদিও পরিসংখ্যান ও সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যৎবাণীতে স্পেনের অবস্থান অনেকটাই এগিয়ে, তথাপি ১৯৭৮ সালের বিশ্বকাপে অস্ট্রিয়ার কাছে হারের স্মৃতি স্প্যানিশদের এখন কিছুটা সতর্ক রাখবে। মাঠের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কোন দল শেষ ষোলোতে যাবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন