প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষের অনুষ্ঠানে বাংলা সিনেমার সোনালি দিন ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, উত্তমকুমারের সময়ের মতো বাংলা ছবিগুলি আবারও সারা দেশে জনপ্রিয়তা অর্জন করুক। এই লক্ষ্যে টালিউডের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী সবকিছু দেওয়ার আশ্বাস দেন শুভেন্দু। প্রয়োজনে আইন সংশোধনেও তিনি রাজি আছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) নন্দনে উত্তম স্মরণে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। তবে তিনি নিজে কোনো কর্মসূচি শুরু না করে চলচ্চিত্র তারকাদের সামনে তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সকালে সামাজিক মাধ্যমে উত্তমকুমারের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি লিখেছেন— 'ইনস্টাগ্রাম-যুগের আগে একজন অভিনেতা মানুষের হৃদয়ে রাজত্ব করতেন। আজ তার ১০০তম জন্মশতবার্ষিকী। মহানায়ককে আমার শ্রদ্ধা।'
যদি উত্তমকুমার বেঁচে থাকতেন, তবে বৃহস্পতিবারই তার ১০০ বছর পূর্ণ হতো। তবে তিনি না থেকেও আজও বাঙালির অন্যতম সেরা আইকন, এ দিনটির উন্মাদনা তা আবারও প্রমাণ করে। সকালের অনুষ্ঠানে মাল্যদান করার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে আগে ডাকা হলেও, তিনি প্রবীণ চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব রঞ্জিত মল্লিককে এগিয়ে দেন।
সন্ধ্যায় একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রবীন্দ্রসদন চত্বর থেকে পদযাত্রা শুরু হয়ে মিউজিয়ামের পাশ দিয়ে নন্দনে এসে শেষ হয়। এই পদযাত্রায় তারকাদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। নন্দনে উত্তমবিষয়ক একটি প্রদর্শনীর সূচনা হয়। সেখানেও আনুষ্ঠানিক সূচনার জন্য শুভেন্দুকে ডাকা হলে, তিনি অভিনেতা জিৎকে ফিতে কাটার জন্য এগিয়ে দেন। পরে মঞ্চে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, উত্তমের জন্মশতবর্ষে বাংলার মানুষ তার উপরে মুখ্যমন্ত্রিত্বের ভার তুলে দেওয়ার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। ক্ষমতায় আসার পর মহানায়কের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করেন তিনি।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘বর্তমানে শুনি— দক্ষিণ ভারতের ছবি রাজত্ব করছে। তার উপরে রয়েছে বলিউডের ছবি। তবে মহানায়কের যুগে টালিউডই দেশে রাজত্ব করত। আমি চাই, সেই দিন ফিরে আসুক। বলিউডের ছবির উপরে রাজত্ব করবে টালিউড।’
তিনি আরও বলেন, "আপনারা আলোচনা করে আমাকে বলুন— তার জন্য কী চাই, আমি তাই দেব। আমরা দুহাত দিয়ে আপনাদের সঙ্গে থাকব। আমাকে বাজেট দিন, আমি অর্থ অনুমোদন করে দেব। পরিকল্পনা বলুন, ছাড়পত্র দিয়ে দেব। প্রয়োজনে আইন বদলে দেব, যা লাগবে বলুন, ব্যবস্থা করে দেব।"
অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী জানান, তিনি চান এখানে যারা শুটিং করতে আসবেন, তাদের ৩০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হোক। তিনি বলেন, "আমি সবার সঙ্গে কথা বলে শুভেন্দুদার কাছে পরিকল্পনা নিয়ে যাব। তিনি অনুমোদন দিলেই হবে। তবে ভর্তুকি আমরা নগদে দেব না, কর বা অন্য কিছুর সঙ্গে অ্যাডজাস্ট করে দেব।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন