প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পেন্টাগনের পক্ষ থেকে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের জানানো হয়েছে, ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধ এবং অন্যান্য অ-প্রতিরক্ষা খাতের ব্যয় মেটাতে তাদের প্রয়োজন অতিরিক্ত ৮০ বিলিয়ন ডলার।
এই সপ্তাহে ফোন কলের মাধ্যমে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্টিফেন ফেইনবার্গ। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাতে এই খবর প্রকাশ করেছে রয়টার্স।
বৃহৎ আকারের এই ৮০ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় অংশ প্রতিরক্ষা খাতের জন্য বরাদ্দ থাকলেও এই অতিরিক্ত তহবিলের মধ্যে খামার ও দুর্যোগ সহায়তার মতো জরুরি অ-প্রতিরক্ষা খাতের অগ্রাধিকারগুলোও থাকবে। হোয়াইট হাউস খুব শিগগিরই এই চূড়ান্ত সম্পূরক বাজেট প্রস্তাবটি আইনপ্রণেতাদের কাছে পাঠাতে পারে বলে জানা গেছে।
যদিও রয়টার্স তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবেদনটির সত্যতা সম্পূর্ণ যাচাই করতে পারেনি এবং মার্কিন প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি।
গত এপ্রিল মাসে পেন্টাগনের একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন যে, ইরান যুদ্ধে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে, যা ছিল এই যুদ্ধের ব্যয়ের প্রথম কোনো সরকারি হিসাব। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে ইসরায়েলের সাথে যৌথভাবে শুরু হওয়া এই যুদ্ধের সামগ্রিক ব্যয় নিয়ে ক্যাপিটল হিলে এখনও বড় ধরনের ধোঁয়াশা রয়েছে।
এর আগে যুদ্ধ ব্যয়ের জন্য সরকারের প্রাথমিক ২০০ বিলিয়ন ডলারের বাজেট প্রস্তাব মার্কিন আইনপ্রণেতাদের তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়েছিল।
চলতি বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে এই বিশাল বাজেট প্রস্তাব নিয়ে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়, চড়া জ্বালানি মূল্য এবং এই যুদ্ধের আর্থিক বোঝা নিয়ে মার্কিন ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে গত মে মাসে মার্কিন মূল্যস্ফীতি গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর কারণে দেশের সাধারণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে দেশটির বড় একটি অংশ চিন্তিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন