প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কোনো ফুটবল খেলোয়াড় লাল কার্ড পেলে পরবর্তী এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ থাকেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ফোলারিন বালোগান বিশ্বকাপে বসনিয়ার বিরুদ্ধে শেষ ৩২-এর ম্যাচে লাল কার্ড পেয়েও বেলজিয়ামের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পান। এই ঘটনাটি ঘটে ফিফা যখন তার নিষেধাজ্ঞা এক বছরের জন্য স্থগিত করে দেয়।
ফিফা নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করার সিদ্ধান্তটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যখন জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ফোন করেন, তখন নেওয়া হয়। নিষেধাজ্ঞা স্থগিত হয় ডিসিপ্লিনারি কোডের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুসারে। এই বিধানে উল্লেখ করা হয়েছে, ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি চাইলে পূর্বে আরোপিত কোনো শাস্তিমূলক নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
ফিফার এই ঘটনাতে চারদিকে সমালোচনার ঝড় ওঠে। বেলজিয়ামও এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে। এরপর মানবাধিকার সংস্থা ফেয়ারস্কোয়ার ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে রাজনীতিক নিরপেক্ষতা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) কাছে বিষয়টির তদন্ত দাবি করে।
ইনফান্তিনো আইওসির একজন সদস্য। তবে সংস্থাটি জানায়, তারা এই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করবে না। আইওসির এক মুখপাত্র জানান, অভিযোগটি মূলত ফিফার সিদ্ধান্ত এবং অভ্যন্তরীণ শাসনব্যবস্থা সম্পর্কিত হওয়ায় আইওসির নৈতিকতা কমিশনের এ বিষয়টিতে তদন্ত করার এখতিয়ার নেই।
মুখপাত্র আরও বলেন, ‘আইওসি নৈতিকতা কমিশন ফেয়ারস্কোয়ারের অভিযোগটি গভীরভাবে পর্যালোচনা করেছে। অলিম্পিক সনদ অনুযায়ী, প্রতিটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ফেডারেশন তাদের শাসনব্যবস্থা ও কার্যক্রমে স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত। আন্তর্জাতিক ফেডারেশন এবং তাদের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে আইওসি নৈতিকতা বিধির প্রয়োগ কেবল আইওসির সঙ্গে তাদের সম্পর্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।’
তিনি ব্যাখ্যা করেন, ‘অভিযোগটি ফিফা সভাপতিকে ঘিরে। আন্তর্জাতিক ফেডারেশনের নিজস্ব শাসন, ব্যবস্থাপনা, সরকারগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক এবং নিজস্ব ক্রীড়া বিধির বাস্তবায়ন আইওসি নৈতিকতা বিধির আওতার বাইরে। এজন্য এই অভিযোগটি আইওসি নৈতিকতা কমিশনের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ছে না। এ বিষয়ে ফেয়ারস্কোয়ারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন