শুক্রবার, ২৩শে জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
০১:২১ এম
বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল এলাকায় বিএনপি আয়োজিত একটি সমাবেশে অংশ নিয়ে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি আসনের মধ্যে ধানের শীষের চার প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি অন্য দুই দলের প্রার্থীর মার্কায়ও ভোট দেওয়ার আহ্বান করেন তিনি।
২৩ জানুয়ারি ২০২৬ এ অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনি সমাবেশে তিনি ‘খেজুর গাছ’ ও ‘মাথাল’ মার্কায় ভোট দিতে জনসাধারণকে উৎসাহিত করেছেন।
তারেক রহমান বলেন, "১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মানুষ যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। তবে গত ১৫ বছর ধরে জনগণকে ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, এবং বাকস্বাধীনতাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন, তথাকথিত নির্বাচনের কারণে জনগণের ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল না।
তিনি আরও বলেন, "ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য অনেক মানুষ জীবন দিয়েছেন, শুধু ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেই অন্তত ১৫ জন শহীদ হয়েছেন।" ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "সেদিন দেশের মানুষ প্রকৃত অর্থে রাজপথে নেমে এসেছিল, এবং স্বৈরাচার পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল।"
তারেক রহমান নির্বাচনে ষড়যন্ত্র নিয়ে আশঙ্কা করেন, বলেন, "দেশের ভেতরের পাশাপাশি বিদেশেও ভোট নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে, বিশেষ করে প্রবাসীদের পোস্টাল ভোটারদের নিয়ে। সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।"
ভোটের দিন সবাই ফজরের নামাজ পড়ে সরাসরি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এক্ষেত্রে এলাকার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ভোটারদের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চারজন প্রার্থীকে ধানের শীষ প্রতীকে এবং শরিক দলের প্রার্থীদের খেজুর গাছ ও মাথাল মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। বিএনপির এই সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহবুব শ্যামল সভাপতিত্ব করেন, এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম সঞ্চালনা করেন। এসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন আসনের প্রার্থী ও জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় পেঁয়াজের জমিতে সেচ দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কিছুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালীন বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি হামলার শিকার হয়ে ভাঙচুর এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে ঘটনাটি ঘটে গট্টি ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামে। এখানে নুরু মাতুব্বর ও জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের সূচনা হয়। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রের তথ্যমতে, নুরু মাতুব্বরের সঙ্গে জাহিদ মাতুব্বরের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘ বিরোধ চলছে। বিগত ১৭ বছর তাঁরা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিএনপিতে যোগ দেওয়ায় তাঁরা একাধিক সহিংসতায় লিপ্ত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় নেতার জেলেও যেতে হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, তাদের চলমান বিরোধের মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকেলে বালিয়া গ্রামের মাঠে পেঁয়াজের জমিতে সেচ দেওয়া নিয়ে শহীদ শরীফ ও নুরু মাতুব্বরের সমর্থক জাহিদ শরীফের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। তারপর সন্ধ্যার দিকে উভয়পক্ষের সমর্থকরা বালিয়া বাজারে জড়ো হয়ে যান। রাত ৮টার দিকে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে অন্তত ৫টি বসতবাড়িতে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন এবং আহতদের মধ্যে কয়েকজন ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, "সংঘর্ষের খবর পেয়ে সালথা আর্মি ক্যাম্পের সেনাবাহিনী ও সালথা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন। এখন এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে অবনতি ঘটেছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রতিটি নাগরিকের জানমাল রক্ষা করা এখন অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে এবং এ পরিস্থিতি অবিলম্বে নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন।
বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।
বিজ্ঞপ্তিতে মির্জা ফখরুল জানান, বিএনপি গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, দেশে আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে, যা সাধারণ মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিকে অবিলম্বে নিয়ন্ত্রণে আনা এবং নাগরিকদের জানমাল রক্ষা করার গুরুত্ব অত্যধিক বেড়ে গেছে।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে সন্ত্রাসীরা কেরানীগঞ্জের হযরতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসান মোল্লাকে গুলি করেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি এই বর্বর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, যেন দ্রুত সম্ভাব্য সময়ে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব দুষ্কৃতকারীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, 'এ ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নির্বাচনে বাধা দেওয়া এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে রুদ্ধ করার চেষ্টা কখনোই দেশের জনগণ মেনে নেবে না। গণতন্ত্রকামী মানুষ সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে, ইনশাআল্লাহ।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভোটের দিনের জন্য তাহাজ্জুদ ও ফজরের নামাজ পড়ে ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন যে এবার বহু ষড়যন্ত্র ঘটতে পারে। বিএনপি নেতাকর্মীদের সবসময় সতর্ক থাকার কথা তিনি বলেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা পৌর স্টেডিয়ামে বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেছেন।
তারেক রহমান বলেন, ষড়যন্ত্র থেমে নেই। একটি দলের স্বাধীনতার সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, সেজন্য তাদের সম্পর্কে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে, মানুষ তাদের ভুলে যায়নি।
তিনি আরও বলেছে, বিএনপি জনগণের সমর্থনে ক্ষমতায় আসলে মা-বোনদের জীবনকে উন্নত করে স্বাবলম্বী করার জন্য উদ্যোগী হবে। মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য সম্মানী ভাতা চালু করে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে। জেলা-উপজেলা ও গ্রামে রাস্তার অবস্থা যে অত্যন্ত খারাপ, সেগুলো মেরামত করতে হবে। বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সমস্যা এবং সরকারি হাসপাতালের মধ্যে চিকিৎসা সুবিধার অভাব নিয়ে তিনি আলোচনা করেছেন। এসব সমস্যার সমাধান দ্রুত করা হবে বলে আশ্বাস দেন।
এ জন্য নির্বাচন দিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের ধানের শীষে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে হবে।
এসময় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান কিশোরগঞ্জের ৬টি সংসদীয় আসনের মনোনীত প্রার্থীদের জনতার সামনে পরিচয় করিয়ে দেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরিফুল আলম। এতে জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অনন্যা পাণ্ডে সম্প্রতি আলোচনায় ছিলেন আদিত্য রয় কপূরের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব এবং ওয়াকার ব্লাঙ্কের সঙ্গে নৈকট্যের কারণে। তাহলে কি তিনি বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন?
২০১৯ সালে কর্ণ জোহরের হাত ধরে ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার ২’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে প্রবেশ করেন চাঙ্কি পাণ্ডের মেয়ে অনন্যা।
কিন্তু সেই ছবিতে তাঁর অভিনয় নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়, প্রকাশ্যে আসে পক্ষপাতের প্রসঙ্গ। এটি প্রমাণ করে যে বলিউডের তারকাসন্তান হওয়ার পরও সাফল্য পেতে কঠিন ঠিকই, যা অনন্যা নিজের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন। একাধিক ছবিতে তিনি ব্যর্থতা দেখতে পেয়েছেন। তবে সম্প্রতি তাঁর অভিনয় দক্ষতা অনেক উন্নত হয়েছে। ‘খো গয়ে হম কহাঁ’, ‘কল মি বে’ এবং ‘কন্ট্রোল’ সিনেমাগুলিতে তাঁর অভিনয় প্রশংসা কুড়িয়েছে দর্শকদের। একই সঙ্গে, আদিত্য রয় কপূরের সঙ্গে সম্পর্ক এবং ওয়াকার ব্লাঙ্কের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে তিনি আবারও আলোচনায় উঠেছেন। সাথে, শুরুর দিকে ঈশান খট্টরের নামও তাঁর সঙ্গে যুক্ত ছিল। তাহলে কি অনন্যা সত্যিই নিজের জন্য সঠিক সঙ্গী খুঁজে পেয়েছেন?
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অনন্যা বলেছিলেন, “আজ থেকে পাঁচ বছর পরে আমি নিজেকে বিবাহিত দেখতে চাই। একটি সুখী পরিবার, সন্তানের পরিকল্পনা এবং অনেক পোষ্য কুকুর।” টেলিভিশনের একটি রিয়্যালিটি শোতে গিয়ে, অনন্যার মা ভাবনা মেয়ের বিয়ের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন দিয়ে বলেন, “আমি চাই, অনন্যার বিয়েতে মাটনের বাহারি পদ, রসুনের আচার, ভারতীয় পদ্ধতিতে তৈরি তিরামিশু, এবং বেগুনি পরোটা থাকা উচিত।”
ভাবনা জানান, পাণ্ডে পরিবার বেশ খাদ্যরসিক, তাই তাঁরা বিয়েতে স্বাদের জন্য বাহারি সব পদ প্রস্তুত রাখতে চান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ