প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্পেনে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে সাগরে প্রাণ হারিয়েছেন মরক্কোর নারী ফুটবলার ফাতেন বেন আমার এল আজিজি। এই ফুটবলারের মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে মরক্কোর ক্রীড়াঙ্গনে, বিশেষ করে নারী ফুটবলে।
মরক্কোর ক্রীড়াবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘আল বতোলা’র তথ্য অনুযায়ী, শনিবার স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত শহর সেউতায় পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে সাগরপথে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করেন ফাতেন। তবে উত্তাল সাগর ও প্রবল স্রোতের সঙ্গে লড়াইয়ে তিনি টিকতে পারেননি এবং পানিতে তলিয়ে যান। পরে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়।
মরক্কো এবং স্পেনের মধ্যে সেউতা সীমান্ত দীর্ঘদিন ধরেই অনিয়মিত অভিবাসনের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পথ হিসেবে পরিচিত। উন্নত জীবনের আশায়, প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ এই বিপজ্জনক রুটে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন, তবে অনেকেই গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে প্রাণ হারান।
ফাতেনের ক্লাব মাগরেব অ্যাথলেটিক তেতোয়ান জানিয়েছে, তিনি কোনো রোমাঞ্চ বা খ্যাতির আশায় নয়, বরং নিজের ও পরিবারের জন্য একটি নিরাপদ ও উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতেই এই ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় নেমেছিলেন।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে মরক্কোর পেশাদার ফুটবলার ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন। শোকবার্তায় ফাতেনের পরিবার ও সতীর্থদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে এই অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার শক্তি কামনা করা হয়েছে। পাশাপাশি, তার বিনয়ী ব্যক্তিত্ব, পেশাদার মনোভাব ও খেলোয়াড়সুলভ আচরণের কথাও অনেকেই স্মরণ করেছেন।
ফাতেন বেন আমার এল আজিজির মৃত্যুর ঘটনা কেবল একজন প্রতিশ্রুতিশীল ফুটবলারের জীবনাবসান নয়, বরং উন্নত জীবনের আশায় ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনপথ বেছে নেওয়া হাজারো মানুষ আরেকটি কঠিন বাস্তবতার উদাহরণ হয়ে রইল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন