প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাশিয়ার জ্বালানি ও বন্দর অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইউক্রেন ড্রোন হামলা পরিচালনা করেছে। উক্ত হামলায় একজন নিহত হয়েছেন এবং এই ঘটনায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সন্ত্রাসী কৌশল হিসেবে আখ্যা দিয়ে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এরমধ্যেই, ইউক্রেনের খারকিভ ও দোনেৎস্ক অঞ্চলের কিছু বসতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে রুশ সামরিক বাহিনী।
রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের ক্রাসনোদার অঞ্চলের টেমরিউক জেলায় একটি সি-টার্মিনালে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় আগুন ধরে যায়। স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ থেকে জ্বালানি তেলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, টার্মিনালের একাধিক স্টোরেজ ট্যাংক ও লোডিং স্ট্যান্ডে তারা সফলভাবে আঘাত করতে সক্ষম হয়েছে।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই হামলাকে সন্ত্রাসী কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। পুতিন স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, এ ধরনের হামলা রাশিয়ার অগ্রগতিকে থামাতে পারবে না। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ইউক্রেনের বাহিনী যুদ্ধ জিততে মরিয়া হয়ে বেসামরিক জনগণ ও অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।
পুতিন বলেন, ‘আমাদের বাহিনী এখনো কৌশলগত সুবিধা ধরে রেখেছে। তারা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে এবং কোনো গোলাবর্ষণ বা ড্রোন হামলা এই পরিস্থিতি বদলাতে পারবে না। শত্রুপক্ষ এই অগ্রযাত্রা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়ে এখন প্রকাশ্য সন্ত্রাসী কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। তারা বেসামরিক স্থাপনা, অবকাঠামো এমনকি যাত্রী পরিবহন ব্যবস্থাকেও লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।’
এদিকে, রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানাচ্ছে যে, তারা ইউক্রেনের খারকিভ ও দোনেৎস্ক অঞ্চলের কয়েকটি বসতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এছাড়া গত এক সপ্তাহে ইউক্রেনীয় সামরিক স্থাপনায় একাধিক নির্ভুল হামলার কথাও জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন ঘোষণা করেছেন যে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য রাষ্ট্র আগামী ১৫ জুন একটি আন্তঃসরকারি সম্মেলনে ইউক্রেন ও মলদোভার সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে সম্মত হয়েছে। এই আলোচনায় আইনের শাসন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, সুশাসন ও ইউরোপীয় মূল্যবোধের মতো মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে, যা সদস্যপদ অর্জনের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই সিদ্ধান্তকে ইউরোপের জন্য শক্তিশালী অগ্রগতি বলে অভিহিত করেছেন এবং তিনি বলেন, ইউক্রেন শুধুমাত্র নিজের জন্য নয়, বরং পুরো ইউরোপের নিরাপত্তা ও ঐক্যের জন্য লড়াই করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন