প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্র সফর সম্পন্ন করেছেন। তিনি এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সামরিক ও পেশাগত সহযোগিতা জোরদার করার পাশাপাশি আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের উদ্দেশ্যে গমন করেন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পক্ষ থেকে রোববার রাতে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, জার্মানির উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গ্রোব এয়ারক্রাফট এসই-এর আমন্ত্রণে বিমান বাহিনী প্রধান গত ১৮ থেকে ২০ অক্টোবর জার্মানি সফর করেন। সফরের সময় তিনি দেশটির টুসেনহাউজেন-মাটসিসে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এছাড়া, কারিগরি ও বাণিজ্যিক বিষয়ে কর্ম-অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেন এবং প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এই কার্যক্রমগুলো বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে ব্যবহৃত গ্রোব উড়োজাহাজের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ সফরের অংশ হিসেবে তিনি জার্মানির রোথেনবাখ আন ডেয়ার পেগনিৎজে অবস্থিত ডিহল ডিফেন্সের এমএসএএন উৎপাদন কেন্দ্রও পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
অন্যদিকে, চেক প্রজাতন্ত্রের বিমান বাহিনীর কমান্ডার এবং ফিউচার এয়ার ফোর্স কনফারেন্সের চেয়ারম্যানের আমন্ত্রণে বিমান বাহিনী প্রধান ২০ থেকে ২৩ অক্টোবর দেশটি সফর করেন। এই সময় তিনি প্রাগে অনুষ্ঠিত ‘ফিউচার এয়ার ফোর্স কনফারেন্স’-এর চতুর্থ আসরে অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনে আধুনিক যুদ্ধপ্রযুক্তির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনার মধ্যে ছিল বহুমুখী হালকা যুদ্ধবিমান, অত্যাধুনিক প্যাসিভ ও অ্যাকটিভ সেন্সর, ইলেকট্রনিক যুদ্ধপ্রযুক্তি, সশস্ত্র চালকবিহীন আকাশযান (ইউএভি) এবং ড্রোন প্রতিরোধী প্রযুক্তির ব্যবহার, পরিচালনা ও প্রশিক্ষণ। এছাড়া, অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর বিমান বাহিনীর বর্তমান ও নিকট ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ এবং সমসাময়িক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করা হয়।
আইএসপিআর জানায়, বিমান বাহিনী প্রধানের এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্রের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি সামরিক ও পেশাগত ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার পরিধি সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন