প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের সময় ছাত্রশিবির আসলে ছাত্রলীগ হয়ে বেঁচে ছিল। তিনি উল্লেখ করেছেন, "যদি সবাই কায়দা করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করত, তবে আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে কাউকে রাস্তায় পাওয়া যেত না।"
আজ বৃহস্পতিবার, তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান দাবি করেন, আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির বিষয়টি কষ্টদায়ক বলে মন্তব্য করেছেন আবরার ফাহাদের বাবা। তিনি বলেন, আবরার ফাহাদকে শিবির তকমা দিয়ে হত্যা করা হলে, তার বিচারের দাবিতে ঢাবিতে মিছিল বের করা হয় তৎকালীন ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে। ২০১৮-২০২৪ পর্যন্ত ভিপি নুর ছিলেন আন্দোলন-সংগ্রামের অগ্নিপুরুষ। শিশির মনিররা ছিলেন আবরার ফাহাদের খুনি ছাত্রলীগের পক্ষের কাপুরুষ।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান আরও বলেন, ‘ছাত্রশিবির তখন ছাত্রলীগ হয়ে বেঁচে ছিল। আমরাও যদি এভাবে কায়দা করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করতাম, তবে আবরার ফাহাদ হত্যার পরে প্রতিবাদের জন্য একটা লোক রাস্তায় পাওয়া যেত না।’
তিনি আন্দোলনের কঠিন দিনগুলোতে বর্তমান শিবিরের ভিপি-জিএসদের কোনো অস্তিত্ব ছিল না দাবি করে বলেন, ‘তারা ছিলেন হল ও ডিপার্টমেন্ট পর্যায়ে ছাত্রলীগের নেতা। আজকে যে ভিপি নুরকে নিয়ে জামায়াত-শিবির গালাগাল ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে এক ভিপি নুরের যে অবদান আছে, পুরো জামায়াত-শিবিরের সেই অবদান নেই।’
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, ‘২০১৮ থেকে ২০২৪ ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের এই কঠিন সময়ে ভিপি নুর একটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী তরুণ নেতৃত্বর নাম। জামায়াত-শিবির আর ১০০ জন সাদিক কায়েম জন্ম দিলেও এক ভিপি নুরের একশো ভাগের এক ভাগ হতে পারবে না। ভিপি নুরুর মানে পুরোটাই সাহসের কলিজা।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন