প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকার ধামরাইয়ে উচ্ছেদ অভিযানে হামলার ঘটনার পর দ্বিতীয় দিনেও অভিযান পরিচালনা করেছে প্রশাসন। এই দিন কোনো শংকা বা অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশ থেকে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ঢুলিভিটা এলাকায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের মাধ্যমে এ অভিযান প্রস্তুত করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. নুর আলম সিদ্দিকী। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ধামরাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিদওয়ান আহমেদ রাফি। পাশাপাশি, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনের সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিন এবং ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন।
প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঢুলিভিটা থেকে কেলিয়া এলাকার স্নোটেক্স গার্মেন্টস সংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত হকারদের প্রায় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।
ইউএনও মো. আল মামুন বলেন, ঢুলিভিটা বাসস্ট্যান্ড ধামরাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান, যেখানে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষের চলাচল ঘটে। অবৈধ ও অস্থায়ী স্থাপনা অপসারণের জন্য একাধিকবার মাইকিং, নোটিশ এবং সতর্ক করা হলেও অনেকেই তা অপসারণ করেননি। এই কারণে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করার জন্য এবং পুনরায় দখল ঠেকাতে অভিযান চলতে থাকবে।
মঙ্গলবারের (২৩ জুন) অভিযানে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে বলেও ইউএনও সংবাদে উল্লেখ করেন।
সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিন বলেন, ঢুলিভিটা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখল এবং দোকানপাটের কারণে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছিল। সড়ক বিভাগের জায়গা উদ্ধারের মাধ্যমে জনস্বার্থে ব্যবহার এবং যানজট নিরসনের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, সড়ক বিভাগ নিজস্ব জায়গা চিহ্নিত করেছে এবং প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থা এই কাজে সহযোগিতা করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন