প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পশ্চিমবঙ্গের দুই জেলায় একদিনে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক হয়েছেন ১৭ জন বাংলাদেশী নাগরিক। রাজ্যটির দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার রায়দিঘি থেকে আটক করা হয়েছে ৫ পুরুষ, ২ নারী এবং তিন শিশুসহ মোট ১০ জনকে। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদ জেলার রাণীনগর থেকে ৭ জন পুরুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের খবর অনুযায়ী, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার রায়দিঘী এলাকার গাজীর মোরে ইয়াকুব নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে একাধিক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী আশ্রয় নিয়েছিল। গোপন সূত্রের ওপর ভিত্তি করে পুলিশ সেই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আটক করে তিন শিশু ও দুই নারীসহ ১০ জনকে। তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃতরা কয়েক বছর আগে ভারতের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশ করে বেঙ্গালুরুর ভাঙ্গারির ব্যবসায় যুক্ত হয়েছিলেন। সম্প্রতি বেঙ্গালুরুর কাছে অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের আটক করার অভিযান শুরু হলে তারা বেঙ্গালুরুর স্থান পরিবর্তন করে রায়দিঘীর পরিচিত ইয়াকুবের বাড়িতে আশ্রয় নেন।
বর্তমানে আটক ১০ জনকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার লক্ষ্মীকান্তপুর হোল্ডিং সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের ভারতে প্রবেশের বৈধ নথিপত্র ছিল কিনা এবং কীভাবে তারা এই এলাকায় এলেন, সে বিষয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
এছাড়া গোপন সূত্রে অনুপ্রবেশের খবর পেয়ে মুর্শিদাবাদের রাণীনগর থানার পুলিশ কাহারপাড়ায় অভিযান চালায়। ওই এলাকায় ৭ জনকে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরতে দেখতে পেয়ে পুলিশ তাদের আটক করে। তদন্তে জানা যায়, তারা বাংলাদেশে রাজশাহী জেলার বাসিন্দা। রাজমিস্ত্রির কাজ করতে ভারতে আসার জন্য তারা মুর্শিদাবাদ হয়ে চেন্নাই যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, কিন্তু দালাল কর্তৃক সীমান্ত পার করিয়ে দেওয়ার পর তারা বিপাকে পড়েন। তাদের লালগোলা হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন