প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্পেনের ছিটমহল সিউটায় গত ৩০ ও ৩১ জুলাই মরক্কো সীমান্ত দিয়ে রেকর্ডসংখ্যক অভিবাসী প্রবেশ করেছে। এই উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যে, এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।
সম্প্রতি এই ছিটমহলটিতে নামা অভিবাসী ঢলের মাঝে ঘটেছে যৌন হামলার ঘটনা। এমন ১৫টি সম্ভাব্য যৌন হামলার ঘটনা নিয়ে তদন্ত করছে স্প্যানিশ পুলিশ এবং সিভিল গার্ড।
দ্য সানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভুক্তভোগীদের মধ্যে বেশিরভাগই অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে। সিউটা ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে বেশ কয়েকজন শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ১০ বছর বয়সী এক শিশুও রয়েছে।
দুই সপ্তাহ আগে মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ৭২ হাজার মানুষ সিউটায় প্রবেশ করেছেন, যা সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে বড় সীমান্ত অনুপ্রবেশের ঘটনা। এর মাঝে তদন্তটি শুরু হয়েছে।
গত ৩০শে জুলাই অভিবাসী ঢলে আসা ১৫ জন সন্দেহভাজনের মধ্যে দুজন নিপীড়ককে আটক করা হয়েছে। পুলিশ এবং বিচার বিভাগের কর্মীরা প্রতিটি অভিযোগের আলাদাভাবে তদন্ত করছে।
ইতিমধ্যে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মরক্কোর নাগরিকদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং একজনকে মরক্কোতে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে সিউটাতে। এতে ছিটমহলটিতে বাস করা ৮৪ হাজার জনসংখ্যার অনেকেই স্পেনের মূল ভূখণ্ডে পালিয়ে গেছেন।
প্রাথমিক ঢল শুরু হওয়ার পর থেকে অভিভাবকহীন শিশুসহ প্রায় ৯ হাজার অভিবাসী এখনো সিউটাতে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের কাছে আশ্রয় চেয়ে রবিবার শহরের জনপ্রিয় এল ট্রাম্পোলিন সৈকতে শত শত মানুষ বিক্ষোভ করেছে। এর মধ্যে ‘আমরা মরক্কোতে ফিরতে চাই না’ লেখা সংবলিত ব্যানার ও পতাকা দেখা যায় বিক্ষোভকারীদের হাতে।
বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, ‘আমরা ঠাণ্ডায় কষ্ট পাচ্ছি এবং পুলিশ শহরের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দিচ্ছে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন