প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট বি-টু বা ক্রিটিক্যালিটিতে যাওয়ার অনুমতির জন্য অপেক্ষা করছে। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বাডরা) এই অনুমোদন প্রদান করবে।
এই পর্যায়ে প্রথমবারের মতো স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন ঘটানো হবে। এর ফলে চুল্লিতে ধীরে ধীরে স্থায়ী ও নিরাপদ উপায়ে শক্তি বা বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। পূর্বে এই ইউনিটের সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জনজীবনে ভোগান্তি লাঘবে সকলের দৃষ্টি এখন এই নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দিকে। সবার মনে একটাই প্রশ্ন—কবে নাগাদ আসবে এই বিদ্যুৎ?
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) গাইডলাইন অনুযায়ী, রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত এই প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের ‘স্টেজ বি-ওয়ান’ মোটামুটি সফলভাবে শেষ হয়েছে। সর্বশেষ স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভ পরীক্ষার জটিলতাও কেটে গেছে।
পরবর্তী ধাপ হচ্ছে বি-টু। এই ধাপে পারমাণবিক চুল্লিকে প্রাথমিক অপারেশনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়। এরপর ক্রিটিক্যালিটি পর্যায়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন তৈরি করা হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চুল্লিতে ধীরে ধীরে স্থায়ী ও নিরাপদভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে।
এই ধাপে সফলভাবে এগিয়ে উৎপাদন ক্ষমতা ৩০০ মেগাওয়াটে পৌঁছালে বাণিজ্যিকভাবে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবির হোসেন বলেন, ‘আমরা বাডরাকে সব কাগজপত্র জমা দিয়েছি। তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়ার পর আমরা পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যাব। আগের সব কাজ এখন সম্পূর্ণ। বাডরার পারমিশন পেলেই ইনশাআল্লাহ আমরা পরবর্তী পর্যায়ে (বি-টু) প্রবেশ করব।’
এদিকে, রূপপুরের সব নথিপত্র পর্যালোচনা করে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি, রূপপুর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আটটি সঞ্চালন লাইন নির্মাণের কাজও ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন