প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০১২ সালে হাইকোর্ট এলাকা থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীকে অপহরণের পর গুমের ঘটনা ঘটে।
ওই ঘটনার জন্য তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ফজলুর রহমান সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) জানিয়েছে।
ডিবির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এমন মতামত তদন্তে উঠে এসেছে ফজলুর রহমানের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার বিষয়ে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) থেকে পাঠানো রিকুইজিশনের ভিত্তিতে, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাত ১০টার সময়, রাজধানীর বাড্ডায় নিজ বাসা থেকে ফজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা জানি, আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীকে অপহরণের ঘটনায় ফজলুর রহমান সরাসরি জড়িত ছিলেন।
তিনি আরো জানান, ঘটনার সময় ফজলুর রহমান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একজন কর্মকর্তা হিসেবে তৎকালীন কর্মরত ছিলেন। তদন্ত অনুযায়ী, ঘটনার দিন সুখরঞ্জন বালী হাইকোর্ট এলাকায় গাড়ি থেকে নামার পরে ফজলুর রহমান তাকে থাপ্পড় মারেন এবং শার্টের কলার ধরে ডিবির একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যান।
এই ঘটনার সাথে তিনি এবং তার টিমের সদস্যরা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন বলেও তদন্তের প্রাথমিক তথ্যে প্রতিফলিত হয়েছে।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার আরো বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রম ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমেই পরিচালিত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন