প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আশাশুনি উপজেলা ভূমি অফিসে কাজের অগ্রগতি হওয়ায় ভোগান্তির দিন শেষ হতে চলেছে। কাজ করতে আসা মানুষের মধ্যে স্বস্তির প্রলেপ স্পষ্ট হতে চলেছে। উপজেলা ভূমি অফিসে সহকারী কমিশনার (ভূমি) না থাকায় দীর্ঘ সময় ধরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ইউএনও'র পক্ষে, যিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মতো ব্যাপক দায়িত্ব কাঁধে বহন করেন, স্বতন্ত্র আইনের চর্চা ও আইন ব্যবহারে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান উপজেলা ভূমি অফিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনে যথাযথ সময় দেওয়া সম্ভব হয় না। কখনো কখনো এটি অসম্ভব হয়ে ওঠে। সেবা পেতে আসা মানুষদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়, যা স্বাভাবিক। দীর্ঘ সময় পর গত ১০ আগস্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদে যোগদান করেন মিঠুন মৈত্র। তিনি মাত্র ২২ দিন অফিসের কাজ করেছেন। এই স্বল্প সময়ে তিনি অফিসের কাজে গতি ফিরিয়ে এনেছেন। পেন্ডিং ও নতুন কাজ নিস্পত্তি এবং এগিয়ে নিতে তিনি পুরোদস্তুর কর্মঠ হিসাবে পরিচিতি অর্জন করেছেন।
অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত এক মাসে উপজেলা ভূমি অফিসে ২৩(৩) ধারা মতে করণিক ভুলের জন্য ৩০টি আবেদন জমা পড়েছে। চৌকস এসি (ল্যান্ড) মিঠুন মৈত্রের সুনিপুণ হস্তক্ষেপের ফলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেগুলো সম্পূর্ণরূপে নিস্পত্তি করা সম্ভব হয়েছে। গত জুন মাস পর্যন্ত ১৫০ ধারায় ৬৯টি মামলা জমা হয়েছিল এবং জুলাই মাসে নতুন করে ১৬টি মামলা হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি মামলার নিস্পত্তি হয়ে গেছে। নামজারী মামলা তথা মিউটিশান এর নিয়ম হলো ২৮ দিনের মধ্যে নিস্পত্তি করতে হয়। এখানে কাজে কোন গাফিলতি করা হয় না। সর্বোচ্চ ২৫ দিনের মধ্যে মিউটিশান নিস্পত্তি করা হয়ে থাকে। গত অর্থ বছরে (২০২৫-২৬) ৯ হাজার ৬ শত ১০টি নামজারী মামলা নিস্পত্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ভূমি উন্নয়ন কর আদায় হলে কেবল সরকারের রাজস্ব আদায় হয় না, বরং ভূমি অফিসের সেবার মান উন্নয়ন ঘটে। ভূমির মালিকানা স্বত্তের একটি পর্যায় পর্যন্ত নিস্পত্তি হয়ে থাকে। ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে মালিকানা স্বত্ত কাগজে কলমে নিস্পত্তি পূর্বক রেকর্ড পরিমাণ ভূমি উন্নয়ন কর আদায় হয়েছে আশাশুনি উপজেলায়। এ সময় ভূমি উন্নয়ন করের নির্ধারিত দাবী ছিল ১ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা। তবে আদায় হয়েছে ১ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকার ভূমি উন্নয়ন কর। আদায়ের শতকরা হার দাবীকে অতিক্রম করে ১২৮% -এ উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন