প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গাজার অধিবাসীদের তাড়ানোর জন্য ইসরায়েলি প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করেছে।
গাজা উপত্যকা থেকে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক অপসারণের ইসরায়েলি দাবির বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গাজার বাসিন্দাদের স্থায়ীভাবে স্থানান্তরের বিষয়ে ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তাদের মন্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর এই বিষয়টি পরিষ্কার করেছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর উল্লেখ করেছে, "গাজার কোনো নাগরিককে জোরপূর্বক তাড়ানো, অপসারণ বা স্থানান্তরের যেকোনো পরিকল্পনা বা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন।"
সম্প্রতি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ দাবি করেছেন যে, গাজা সংকটের একমাত্র "প্রকৃত সমাধান" হলো ফিলিস্তিনিদের সেখান থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া। তিনি আরও জানান, জল ও আকাশপথসহ সকল মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের গাজা থেকে বের করে দেওয়ার পরিকল্পনা ইসরায়েল সরকারের আলোচনার টেবিলে রয়েছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রক্রিয়াটি বাতিল করেননি, বরং সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছেন।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই চরমপন্থী বক্তব্যের বিরুদ্ধে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার ১২ নম্বর ধারার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে: “কাউকেই গাজা ছাড়তে বাধ্য করা হবে না। যারা নিজস্ব ইচ্ছায় যেতে চান তারা যেতে পারবেন এবং পুনরায় ফিরে আসার অধিকারও রাখবেন।”
মানবাধিকার সংস্থা ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইসরায়েলের এই 'স্থানান্তর নীতিকে' জাতিগত নিধন (Ethnic Cleansing) হিসেবে অভিহিত করেছে। একইসঙ্গে আরব বিশ্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু মিত্র দেশও ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদের যেকোনো চেষ্টা বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন