প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পুলিশ উপ-পরিদর্শক মো. ওসমান গনিকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাজধানীর মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার জুয়েল রানা। তিনি বলেন, আমাদের কাছে চারজন সন্দেহভাজন রয়েছে, যাদের আমরা গ্রেফতার করে হেফাজতে নিয়েছি। বিস্তারিত খবর পরে জানানো হবে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে শারীফ উদ্দিন বাবু (২১), নাজমুল হাসান (২৩), মো. ইমন (২৩) এবং মো. জুয়েল (২২) রয়েছেন। তারা চট্টগ্রামের খুলশী থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার হয়েছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে যাতে হামলার কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। হামলার ঘটনা ঘটেছিল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোহাম্মদপুর থানার কাদেরাবাদ হাউজিং সি ব্লকের ৪ নম্বর রোডে। এই সময় এসআই মো. ওসমান গনি স্ত্রী তানজিনা সীমা ও একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাজার করে বাসায় ফিরছিলেন। পেছন থেকে এক দুর্বৃত্ত তার পিঠে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ছুরিকাঘাতের পর এসআই মো. ওসমান গনি গুরুতর আহত অবস্থাকেও হামলাকারীকে ধরার চেষ্টা করেছিলেন। তবে হামলাকারী পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেন। আহত অবস্থায় প্রথমে এসআইকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। পরে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। জানা গেছে, তার পিঠে ৪৫টি সেলাই লেগেছে। ঘটনার পর এসআই ওসমান গনি নিজেই বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, বাসায় ফেরার সময় তার ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে। এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, হামলার সঙ্গে জড়িতদের প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে, তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে তখন কোন নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর-আদাবর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এটি ছিনতাইয়ের ঘটনা নয়; সম্ভবত পূর্বশত্রুতার জেরে হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। জড়িতদের গ্রেফতার করার পরে হামলার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে। এদিকে, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে হামলার আগে তিন যুবককে এসআই ওসমান গনির সঙ্গে কথা বলতে এবং পরে তাদের দ্রুত দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে। বর্তমানে গ্রেফতারের পর চার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হামলার নেপথ্যের কারণ এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তথ্য বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন