প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার জানিয়েছেন, যদি আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সক্ষম হয়, তাহলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে পাঁচ হাজার ডলার করে দেবেন। এই অর্থকে তিনি ‘ট্রাম্প ডিভিডেন্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ভোটারদের রিপাবলিকানদের ভোট দিতে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে তিনি এই ঘোষণা দিয়েছেন। রিপাবলিকানদের মধ্যবর্তী নির্বাচনী সম্মেলনে ট্রাম্প এই বক্তব্য রাখেন। তবে এই টাকা কিভাবে বিতরণ করা হবে এবং এটি আইনগতভাবে সম্ভব কি না, সে সম্পর্কে এখনও পরিষ্কার কোনো তথ্য নেই। যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২৭ কোটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক রয়েছেন।
সুতরাং, যদি প্রত্যেককে পাঁচ হাজার ডলার করে দেওয়া হয়, তাহলে মোট খরচ হবে প্রায় ১.৩৫ ট্রিলিয়ন ডলার। প্রায় ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের বক্তৃতায় ট্রাম্প বলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার গত দুই বছর ছিল ইতিহাসের সেরা দুই বছর। যদিও তার জনপ্রিয়তা কিছুটা কমে গেছে, তবে তিনি নির্বাচনী প্রচারে নিজেকে সামনে রেখেছেন। তবে তার এই বক্তব্য দোদুল্যমান ভোটারদের উপর কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
জরিপে দেখা গেছে, দ্রব্যমূল্য ও জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের আশঙ্কার কারণে অনেক ভোটার ট্রাম্পের দল থেকে দূরে সরে গেছেন। ট্রাম্প বলেন, ডেমোক্র্যাটরা ক্ষমতায় এলে আমেরিকার জন্য বড় সমস্যা তৈরি হবে। তাই তিনি সকলকে রিপাবলিকানদের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। ডালাসে দুই দিন ধরে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প সম্মেলনের শেষ বক্তব্য দেবেন।
এর আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বক্তব্য দেবেন। এই সম্মেলনে ট্রাম্পকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির চেয়ারম্যান জো গ্রুটার্স সম্মেলনটির নাম দিয়েছেন ‘ট্রাম্পাপালুজা’, যা জনপ্রিয় সঙ্গীত উৎসব ‘লোলাপালুজা’-এর নাম থেকে নেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্প আশা করছেন, দুই বছর আগে যারা তাকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেছিলেন, তারা আবার তাকে এবং তার দলকে ভোট দেবেন। নির্বাচনের জন্য এখনো আট সপ্তাহ বাকি রয়েছে। এই সময়ে ট্রাম্প গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যগুলোতে কয়েকবার যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘এমনভাবে ভাবুন, যেন আমিই নির্বাচনে প্রার্থী।’ ট্রাম্পকে এত বেশি সামনে রাখায় কিছু রিপাবলিকান প্রার্থী সমস্যায় পড়েছেন। কঠিন নির্বাচনে জিততে হলে তাদের ট্রাম্পের কাছ থেকে কিছুটা দূরে থাকতে হতে পারে। তবে তারা ট্রাম্পের সমর্থকদেরও হারাতে চান না।
এই কারণে কিছু রিপাবলিকান নেতা সম্মেলনে উপস্থিত হননি। তাদের মধ্যে মিশিগানের টম ব্যারেট, আলাস্কার ড্যান সুলিভান এবং মেইনের সুসান কলিন্স রয়েছেন। তারা সবাই কঠিন নির্বাচনী লড়াইয়ের মুখোমুখি।
তবে কিছু রিপাবলিকান নেতা সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। অন্তত ১৬ জন প্রার্থীর সেখানে বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। বুধবার টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন এবং ওহাইওর সিনেটর জন হাস্টেড বক্তব্য দেন। দুজনই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী লড়াইয়ে রয়েছেন। ট্রাম্প দাবি করেন, ২১ হাজার আসনের পুরো অ্যারেনা মানুষে ভরা ছিল। কিন্তু তার বক্তব্যের সময় দেখা যায়, ওপরের গ্যালারির অনেক আসন খালি ছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন