বৃহস্পতিবার, ২২শে জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৪:৩৯ পি.এম
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ মোট ১৮৭৭টি মামলা করেছে। উল্লেখ্য, বুধবার (২১ জানুয়ারি) এই অভিযান পরিচালিত হয়।
ডিএমপির ট্রাফিক সুত্রে জানা যায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে বিভিন্ন যানবাহনের মধ্যে ৫টি বাস, ১টি ট্রাক, ৩টি কাভার্ডভ্যান, ২০টি সিএনজি এবং ৩৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৯৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগের আওতায় ৬টি বাস, ৩টি ট্রাক, ৬টি সিএনজি এবং ৮৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১২২টি মামলা দায়ের হয়েছে।
এছাড়া, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৭টি বাস, ২টি ট্রাক, ১২টি কাভার্ডভ্যান, ৪৬টি সিএনজি ও ১২৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২১৯টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৬টি বাস, ৩৬টি ট্রাক, ৩৮টি কাভার্ডভ্যান, ৫৩টি সিএনজি এবং ১৬৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৬১টি মামলা দায়ের হয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগের অধীনে ১টি বাস, ৯টি কাভার্ডভ্যান, ১৭টি সিএনজি ও ৬৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১২৪টি মামলা দায়ের হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগের আওতায় ২টি বাস, ৪০টি ট্রাক, ২৮টি কাভার্ডভ্যান, ৮২টি সিএনজি ও ৩৯৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৬৩৮টি মামলা হয়েছে।
ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে আরও ৮টি বাস, ৫টি ট্রাক, ৩টি কাভার্ডভ্যান, ২১টি সিএনজি এবং ৬৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫২টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ২৬টি বাস, ২টি ট্রাক, ৬টি কাভার্ডভ্যান, ১৪টি সিএনজি ও ৫৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৬৭টি মামলা দায়ের হয়েছে। এছাড়া, অভিযান চলাকালীন ৩৮৮টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ১৬৯টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগরীতে ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্লোবাল এসএমই বিজনেস হোম (জিএসবি এইচ) সুইজারল্যান্ডের উদ্যোগে আগামী ২৯–৩০ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘গ্লোবাল এসএমই সামিট ডাভোস ২০২৬’-এর পাকিস্তান প্রি-ডাভোস সংস্করণ।
এই প্রি-ডাভোস উদ্যোগের কেন্দ্রবিন্দু হলো আসন্ন গ্লোবাল এসএমই সামিট ডাভোস ২০২৬-এ পাকিস্তানের সক্রিয় ও প্রভাবশালী অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। একই সাথে, আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের এসএমই খাতকে আরো দৃশ্যমান করা এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করাও এই উদ্যোগের লক্ষ্য। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব বিষয়ের বিস্তারিত জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালে সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল এসএমই সামিটে ৫০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধির অংশগ্রহণের মাধ্যমে ব্যাপক সাফল্য অর্জিত হয়। সেই সম্মেলনে পাকিস্তানের ২৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করে। বিশেষ করে ফরোয়ার্ড স্পোর্টস পিএলসি-এর সিইও খাজা মাসুদ আখতারের কার্যকর নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশংসিত হয়। এই অংশগ্রহণ পাকিস্তানকে ১০০টিরও বেশি বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ প্রদান করে।
ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিতব্য প্রি-ডাভোস ২০২৬ ইভেন্টে বিশেষভাবে দুইটি কৌশলগত বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হবে— সবুজ লজিস্টিকস ও টেকসই উৎপাদন এবং পাকিস্তানি পণ্য ও সেবাকে বৈশ্বিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে ফ্র্যাঞ্চাইজিং।
গ্লোবাল এসএমই বিজনেস হোমের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট আনিস খান মন্তব্য করেন, 'এই উদ্যোগ শুধুমাত্র একটি নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম নয়; বরং এটি পাকিস্তানের বৈশ্বিক উপস্থিতি বাড়াতে, রপ্তানি বাড়াতে, আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব গড়তে এবং দেশীয় পণ্য ও সেবাকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিষ্ঠিত করার একটি কার্যকর কৌশলগত প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করবে।'
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির থাকবেন সি পাওয়ার সৌদি আরব-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক খালিদ আলী বাহাকিম। এছাড়া বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন গ্লোবাল এসএমই বিজনেস হোম সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট আনিস খান, মোর দ্যান ডিজিটাল-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও বেনজামিন ট্যালিন, গ্লোবাল এসএমই বিজনেস হোমের ভাইস প্রেসিডেন্ট রোমান সোমেরাউ, এবং গ্লোবাল চেম্বার অন আফ্রিকান ট্রেডের গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রদূত ইমানুয়েল আমারা ভান্ডি ফোম্বা।
আরও বক্তব্য রাখবেন গ্লোবাল এসএমই বিজনেস হোমের এক্সিকিউটিভ বোর্ড মেম্বার ক্রিস্টোফ টি. স্প্রিং, গ্রেটার ক্যাস্পিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ও আইসিসি তাজিকিস্তানের চেয়ারম্যান মুরাত সেঈনেপেসভ, আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি বিশেষজ্ঞ ড. এডিথ বি. স্টেইনার, এবং সি পাওয়ার ফর মেরিন সার্ভিসেস (কেএসএ)-এর কমার্শিয়াল ম্যানেজার মুহাম্মদ এহসান উদ্দিন আনসারি।
অংশগ্রহণকারীরা জানান, এই সম্মেলন পাকিস্তানের এসএমই খাতের জন্য নতুন সম্ভাবনার পথ উন্মোচন করবে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এর আগে ভেনেজুয়েলায় নজিরবিহীন হস্তক্ষেপের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন কিউবার বর্তমান শাসনের পরিবর্তন করার চিন্তাভাবনা করছেন। বুধবার মার্কিন প্রতাপশালী সংবাদ মাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত কিউবার রাজনৈতিক ব্যবস্থা ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার সাম্প্রতিক সাফল্যের পর, ওয়াশিংটন এখন কিউবার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধ এবং অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির কৌশল গ্রহণ করেছে।
প্রতিবেদনে এই কথা উল্লেখ করা হয়েছে যে, কিউবার দীর্ঘদিনের জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ফলে হাভানার অর্থনীতি এখন সংকটাপন্ন অবস্থায় আছে। কিউবা বর্তমানে ব্যাপক খাদ্য সংকট, ওষুধের অভাব, এবং ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সমস্যা সম্মুখীন হচ্ছে, যা মূলত জনজীবনে বিপর্যয় সৃষ্টি করছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বিশ্বাস কিউবার অর্থনীতি, যা ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর নির্ভরশীল, শিগগিরই সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়বে।
যদিও হোয়াইট হাউসের কাছে কোনো সামরিক অভিযানের নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই, তবে তারা কিউবার প্রশাসনের মধ্যে এমন সকল ব্যক্তিদের খুঁজছে যারা মার্কিন স্বার্থে সহযোগিতা করতে পারে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী ইতোমধ্যে ভেনেজুয়েলা সংশ্লিষ্ট তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ করা শুরু করেছে, যাতে কিউবার জ্বালানি সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন করা যায়।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই আক্রমণাত্মক মনোভাব নিয়ে ভেতরেই মতভেদ দেখা দিয়েছে। ফ্লোরিডায় বসবাসকারী কিউবান প্রবাসীরা এই কঠোর পদক্ষেপের সমর্থন করলেও, প্রশাসনের কিছু অংশ ১৯৫৯ সালের পর কিউবার বিরুদ্ধে মার্কিন ব্যর্থতার ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। তাদের মতামত হল, এই দীর্ঘকালীন অবরোধ কিউবার কমিউনিস্ট সরকারকে উৎখাত করতে সক্ষম হয়নি। তা সত্ত্বেও, ট্রাম্প কিউবার নেতৃত্বকে উৎখাত করতে তার বিদেশনীতির একটি বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করছেন। স্টেট ডিপার্টমেন্ট এবং হোয়াইট হাউস কিউবাকে ইতোমধ্যেই হুমকি দিয়েছে। তবে কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দেয়াজ-ক্যানেল এসব হুমকি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন, তারা কোনো ভয় বা চাপের সামনে আত্মসমর্পণ করবে না।
সূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের জন্য চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রচারিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাপান বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার জন্য এবং এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পর জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের নিশ্চয়তার জন্য (বাংলাদেশ জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট) চুক্তি স্বাক্ষরের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এই চুক্তির অন্যান্য উদ্দেশ্য হলো— বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জাপানি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। চুক্তিটির আওতায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যেমন পণ্য, সেবা বাণিজ্য, শুল্ক, বিনিয়োগ, বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং মেধাস্বত্ব (ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি)।
স্বল্পোন্নত (এলডিসি) দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এই প্রথম বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জাপানের সঙ্গে ইপিএ চুক্তি স্বাক্ষর করতে চলেছে।
বাংলাদেশ-জাপান ইপিএ নেগোসিয়েশনের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে গঠিত যৌথ গবেষণা দল তাদের প্রতিবেদন ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে উভয় দেশ যৌথভাবে প্রকাশ করে।
এই প্রতিবেদনে ১৭টি সেক্টর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং একটি সমন্বিত পদ্ধতি অনুসরণ করে নেগোসিয়েশন পরিচালনার সুপারিশ রয়েছে।
বাংলাদেশ-জাপান ইপিএ নেগোসিয়েশন শুরুর লক্ষ্যে উভয় দেশ একসঙ্গে ১২ মার্চ ২০২৪ তারিখে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে। এছাড়া, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য এই চুক্তির গুরুত্ব বিবেচনায় অন্তর্বর্তী সরকার নভেম্বর ২০২৪ থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কার্যক্রম শুরু করতে চায় এবং এক বছরের মধ্যে চুক্তিটি সম্পন্ন করার একটি উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
চুক্তি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে সেক্টরভিত্তিক এবং সামগ্রিক আলোচনা করা হয়েছে। সম্মত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ৭ (সাত) রাউন্ড নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে উভয় পক্ষ ইপিএ টেক্সট চূড়ান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকীর সরাসরি সম্পৃক্ততা বাংলাদেশ-জাপান ইপিএ নেগোসিয়েশনের দ্রুত অগ্রগতি সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তাদের সক্রিয় উদ্যোগের অংশ হিসেবে একাধিক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং উচ্চপর্যায়ের আলোচনা সম্পর্কে জাপান সফরের মাধ্যমেও সম্পৃক্ততা অব্যাহত রয়েছে।
এই সফর ও উদ্যোগসমূহ নেগোসিয়েশন চূড়ান্তকরণে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকারকে প্রমাণ করে, যাতে ইপিএ’র কৌশলগত গুরুত্ব সুস্পষ্ট হয়।
বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে, প্রথম দিন থেকেই বাংলাদেশের ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য জাপানের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। অন্যদিকে, জাপান ১ হাজার ৩৯টি পণ্যে বাংলাদেশের বাজারে তাৎক্ষনিক শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে।
বাংলাদেশ-জাপান ইপিএ’র উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো বাংলাদেশি প্রধান রপ্তানি পণ্য, বিশেষ করে তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য পণ্য চুক্তি স্বাক্ষরের দিন থেকেই জাপানের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা পাবে। এছাড়া, সেবা বাণিজ্য খাতেও উভয় দেশ উল্লেখযোগ্য অঙ্গীকার করেছে। বাংলাদেশ জাপানের জন্য ডব্লিউটিও সেক্টরাল ক্লাসিফিকেশন লিস্ট অনুযায়ী ১২টি সেক্টরের আওতায় ৯৭টি সাব-সেক্টর উন্মুক্ত করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে এবং জাপান বাংলাদেশের জন্য ১২০টি সাব-সেক্টর উন্মুক্ত করবে।
এই চুক্তি বাংলাদেশের জন্য ব্যাপক বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সুফল আনার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে, বাংলাদেশে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করবে। জাপান আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
(বাংলাদেশ জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট) স্বাক্ষরের প্রস্তাব আজ উপদেষ্টা পরিষদ সানুগ্রহ অনুমোদন দিয়েছে। বিজিইপিএ’র সম্পন্নকরণে আজকের উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠকে সকল সদস্যরা বাণিজ্য উপদেষ্টা, সচিব ও বিজিইপিএ’র সাথে সম্পৃক্ত সকল সদস্যকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বিএনপির কমিটি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই খবর নিশ্চিত করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এবং জেলা বিএনপির ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুকে পাঠানো পত্রে জানানো হয় যে, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বিএনপির কমিটি স্থগিত করছে। এই কমিটি পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ