প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রবীণ সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন।
সোমবার (২৯ জুন) প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আনম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে হাসপাতালে গিয়ে রফিকুল ইসলাম মিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি রফিকুল ইসলাম মিয়ার চিকিৎসার সার্বিক অগ্রগতির বিষয় নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
ডা. আনম মনোয়ারুল কাদির জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রফিকুল ইসলাম মিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন এবং সেই শুভকামনার বার্তাও তিনি রফিকুল ইসলাম মিয়ার কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী এবং জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিত্ব হিসেবে রফিকুল ইসলাম মিয়ার অসুস্থতা শোনার পর প্রধানমন্ত্রী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তার নির্দেশনায় চিকিৎসকদের সঙ্গে সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম মিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করার সঙ্গে সঙ্গে তার পরিবারের প্রতিও সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন।
কয়েক দিন আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার পর, রফিকুল ইসলাম মিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। প্রথমে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হলেও বর্তমানে তিনি কেবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
২০১৮ সাল থেকে রফিকুল ইসলাম মিয়া গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। তার মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যাওয়াসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে তিনি শয্যাশায়ী। বর্তমানে তিনি চিকিৎসক ডা. জিয়াউল হকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এছাড়া, উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গ্রেপ্তার হলে, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া তার পক্ষে আইনজীবী হিসেবে আইনি লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
সূত্র: বাসস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন