প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ক্যামেরুন তিনবার ফাইনালে উঠলেও শিরোপার স্বাদ নিতে পারেনি। এবার সেই আক্ষেপের অবসান হলো। মালাউইকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে তারা প্রথমবারের মতো নারী আফ্রিকান কাপ অব নেশনসের শিরোপা হাতে তুলে নিল।
রবিবার, ফাইনালে প্রথমবারের মতো উঠে মালাউই লড়াইয়ের সংকেত দিলেও শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ ক্যামেরুনের বিরুদ্ধে টেকসই করতে পারলো না। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকা ক্যামেরুন ২০ মিনিটে এগিয়ে যায়।
ডি-বক্সের অভ্যন্তরে পাওয়া বল নিখুঁতভাবে জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তারকা ফরোয়ার্ড ম্যারি নাগ। এরপর ১০ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নাওমি এতোর। প্রথমার্ধের শেষের দিকে আবারও গোলের দেখা পান নাগ। নাওমি এতোরের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোলটি তিনি অর্জন করেন।
৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতির জন্য মাঠ ছাড়ে ক্যামেরুন। দ্বিতীয়ার্ধে আর কোনো গোল না হওয়ার কারণে একই ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে তারা।
এই জয়ের মাধ্যমে ১৯৯৮ সালে শুরু হওয়া নারী আফ্রিকান কাপ অব নেশনসের ইতিহাসে চতুর্থ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেদের নাম লিখিয়েছে ক্যামেরুন। এর আগে নাইজেরিয়া ১০বার, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি দুইবার এবং দক্ষিণ আফ্রিকা একবার এই শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছিল।
অন্যদিকে, ফাইনালে উঠেই সাফল্য অর্জন করা মালাউইকে রানার্স-আপ হওয়ার সন্তুষ্টি নিয়ে ফিরে যেতে হলো। আফ্রিকার ৩২তম র্যাঙ্কের দলের ফাইনালে যাওয়াটা টুর্নামেন্টের অন্যতম বড় চমক হিসেবে বিবেচিত হলো।
এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে আগামী বছর ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নারী বিশ্বকাপের জন্য আফ্রিকার প্রতিনিধিদেরও চূড়ান্ত করা হয়েছে। চ্যাম্পিয়ন ক্যামেরুন এবং রানার্স-আপ মালাউইয়ের সঙ্গে সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো এবং তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জয়ী আলজেরিয়া বিশ্বকাপে আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব করবে।
ফাইনালের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ও আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের (CAF) সভাপতি প্যাট্রিস মোতসেপে। তারা বিজয়ীদের হাতে মেডেল ও ট্রফি তুলে দেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন