প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য দেশের জনগণের জন্য সরকার এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী এস, এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
তিনি আরও জানান, সরকার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও শক্তিশালী করে চিকিৎসাব্যবস্থাকে ‘ট্রিটমেন্ট সেন্ট্রিক’ থেকে ‘প্রিভেনশন সেন্ট্রিক’ বা প্রতিরোধভিত্তিক ব্যবস্থায় রূপান্তর করতে চায়।
এ লক্ষ্যে আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনা তারা গ্রহণ করেছেন।
সেখানে আরও উল্লেখ করা হয়, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক প্রাথমিক স্বাস্থ্য ইউনিট তৈরি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ এবং মা ও নবজাতকের জন্য সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টাও চলমান রয়েছে।
পর্তুগালের লিসবন সফর শেষে দেশে ফিরে আজ (রোববার) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান জিয়াউদ্দিন হায়দার।
প্রধানমন্ত্রীর এই বিশেষ সহকারী তার বক্তব্যে বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, এই বিপুল সংখ্যক মিডওয়াইফ নিয়োগের পূর্বে মাঠ পর্যায়ে সেবার মান বাড়ানোর জন্য তাদের প্রশিক্ষণ বাড়ানোর ওপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণের মানোন্নয়নে সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবার কাঠামো নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, সারা দেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি শক্তিশালী ‘প্রাইমারি হেলথ কেয়ার নেটওয়ার্ক’ তৈরি করা হবে। নতুন এই নেটওয়ার্কের আওতায় বিদ্যমান কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো এবং সেখানে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীরা সরাসরি জনগণের ঘরে ঘরে গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা দেবেন।
তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, দেশের কোন কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করা হবে না।
তিনি বলেন, ‘কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো যেভাবে রয়েছে, সেভাবেই কার্যকর থাকবে। তবে সেবার পরিধি বৃদ্ধি করতে এবং মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসা পৌঁছে দিতে এই নতুন প্রাইমারি হেলথ কেয়ার নেটওয়ার্ক কাজ করবে।’
তিনি আরও জানিয়েছেন, পর্তুগালের লিসবনে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল কনফেডারেশন অব মিডওয়াইফসের ৩৪তম আন্তর্জাতিক কংগ্রেসে বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে। ১২২টি দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি অংশগ্রহণ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন