প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাতক্ষীরার কলারোয়া ও আশাশুনি উপজেলা থেকে পৃথক ঘটনা হিসেবে এক যুবক ও এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। যুবকের মরদেহটি একটি নর্দমা থেকে এবং বৃদ্ধের মরদেহ খাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ধারণা করছে, যুবককে হত্যার পর তার লাশ ফেলে রাখা হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের পাশে গ্রামীণফোন টাওয়ার সংলগ্ন নর্দমা থেকে মেহেদী হাসান (২৬) নামে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মেহেদী হাসান কলারোয়া উপজেলার কয়লা ইউনিয়নের বাসিন্দা মিজানুর রহমানের ছেলে। পেশায় মধু ব্যবসায়ী মেহেদীর স্ত্রী এবং একটি চার বছর বয়সী ছেলে সন্তান রয়েছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে মেহেদী হাসানের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। শুক্রবার সকালে জালালাবাদ এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলামের স্ত্রীর বোন সালেহা ময়লা ফেলতে গিয়ে একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানালে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, 'আমার ছেলে গতকাল সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। সকালে কিছু লোক এসে খবর দেয়, কে বা কারা তাকে জালালাবাদে মেরে ফেলে রেখে গেছে।'
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন বলেন, 'মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।'
ওসি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, সিআইডির একটি তদন্ত দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। এই ঘটনার কারণে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং পুলিশ রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে।
এছাড়াও, জেলার আশাশুনি উপজেলার বেউলার শ্বেতপুর খাল থেকে মো. আব্দুর রহিম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি আশাশুনি উপজেলার শ্বেতপুর গ্রামের মৃত ফরিদ মালির ছেলে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন