প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ রাষ্ট্রপ্রধান পল বিয়া দীর্ঘ ১০ সপ্তাহেরও বেশি সময় দেশের বাইরে থাকার পর দেশে ফিরে এসেছেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ৯৩ বছর বয়সী এই প্রেসিডেন্ট তার দীর্ঘ অনুপস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য এবং দেশ পরিচালনার সক্ষমতা বিষয়ে চলা জল্পনার মধ্যে দেশে ফেরেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চার দশকেরও বেশি সময় আগে ক্ষমতায় আসার পর বিদেশে এটিই তার সবচেয়ে দীর্ঘ সফর। তিনি সুইজারল্যান্ডের জেনেভা থেকে একটি ভাড়া করা বিমানে রাজধানী ইয়াউন্ডের এনসিমালেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। উল্লেখ্য, তিনি গত ৭ জুন ক্যামেরুন ত্যাগ করেছিলেন। সে সময় দেশটির বেসামরিক মন্ত্রিসভা জানিয়েছিল, প্রেসিডেন্ট ‘ইউরোপে সংক্ষিপ্ত ব্যক্তিগত সফরে’ যাচ্ছেন।
ফার্স্ট লেডি চান্তাল বিয়াকে সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে বিমানবন্দরে পৌঁছান পল বিয়া। পরে তিনি সরকারী বাসভবন ইউনিটি প্যালেসের উদ্দেশে গাড়ির বহরে রওনা হন। রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে শাসক দল ক্যামেরুন পিপলস ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টের শত শত সমর্থক তাকে স্বাগত জানাতে জড়ো হন। পল বিয়া গাড়ির আধখোলা জানালা দিয়ে হাত নেড়ে উপস্থিত জনতাকে অভিবাদন করেন। এসময় সমর্থকদের হাতে দলীয় পতাকা ও প্রেসিডেন্টের প্রশংসাসূচক ব্যানার দেখা যায়।
পল বিয়ার দীর্ঘ অনুপস্থিতি তার স্বাস্থ্য এবং রাষ্ট্র পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছিল। যদিও কর্তৃপক্ষ বারবার জানিয়ে আসছিল, তিনি শিগগিরই দেশে ফিরবেন।
এদিকে, তার অনুপস্থিতি ক্যামেরুনের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠিয়েছে। দেশটিতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা এখনো ব্যাপকভাবে প্রেসিডেন্টকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়। বিরোধী নেতারা তার অনুপস্থিতিতে রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব সাময়িকভাবে অন্য কারও হাতে দেয়ার বিষয়ে সাংবিধানিক পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে এ বিষয়ে পরিষদ কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
ক্যামেরুনের সংবিধান অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের মৃত্যু, পদত্যাগ বা স্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালনে অক্ষমতার কারণে যদি পদ শূন্য হয়, তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট না থাকলে সিনেটের প্রেসিডেন্ট অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পালন করবেন।
গত এপ্রিলে ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ পুনর্বহাল করা হলেও পল বিয়া এখনো এ পদে কাউকে নিয়োগ দেননি। ফলে সমালোচকদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন