প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জ্বালানির বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে আগামী চার মাসের মধ্যে জরুরি মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ও অপরিশোধিত তেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জি-৭ভুক্ত দেশগুলো। এই বিষয়ে সম্মতির কথা জানানো হয়েছে জোটের নেতাদের বৈঠকের পর। তারা নতুন করে জ্বালানি রপ্তানিতে কোনো বিধিনিষেধ আরোপ না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে অন্যান্য উৎপাদনকারী দেশগুলোকে একই নীতি অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) মাধ্যমে চার মাস ধরে মোট ১০ কোটি ব্যারেল জ্বালানি সরবরাহের কার্যক্রম দ্রুত শুরু হবে। এর মধ্যে প্রথম ২০ দিনের মধ্যেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডিজেল বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
জি-৭ নেতারা বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানি ও জ্বালানি পণ্য রপ্তানিতে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে না। তারা বলেন, বাজারে অস্থিরতা বাড়তে পারে—এমন কোনো রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা থেকে বিরত থাকার প্রতিশ্রুতি তারা পুনর্ব্যক্ত করছেন। একই সঙ্গে অন্যান্য উৎপাদনকারী দেশগুলোকে এ ধরনের পদক্ষেপ না নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জ্বালানির মূল্য নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে নেতারা বলেন, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজন হলে সমন্বিতভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনার পর জি-৭ নেতাদের নিয়ে জরুরি ভিডিও বৈঠকের আয়োজন করেন ম্যাক্রোঁ। ব্রিটেন, জাপান, কানাডা, জার্মানি ও ইতালিসহ জোটের সদস্যরা ওই আলোচনায় অংশ নেন।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। তার এমন অবস্থান ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য উদ্বেগ সৃষ্টি করে, কারণ অঞ্চলটি জীবাশ্ম জ্বালানির আমদানির ওপর উল্লেখযোগ্যভাবে নির্ভরশীল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন