প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিনেমা নির্মাণে অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় তিনি উৎসর্গ করেছেন, এটি আমেরিকান পরিচালক স্টিভেন স্পিলবার্গ সম্পর্কে বলা হচ্ছে। তার পরিচালিত চলচ্চিত্রগুলোর দ্বারা মোট বক্স অফিস আয় ১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এটি এখনো একটি অপরাজেয় রেকর্ড হিসেবে রয়ে গেছে। এবার পর্দায় আসছে স্টিভেন স্পিলবার্গের নতুন সিনেমা ‘ডিসক্লোজার ডে’। এটি আগামী ১২ জুন বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও কাঙ্খিত এই সিনেমাটি মুক্তি পাবে।
তিনবার অস্কার পুরস্কার ঘরে তুলেছেন স্টিভেন স্পিলবার্গ। এ ধরনের একজন পরিচালক যখন নতুন সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দেন, তখন দর্শকদের উম্মাদনার পারদ স্বাভাবিকভাবেই উপরে উঠতে থাকে। সিনেমা মুক্তির দিন যত ঘনিয়ে আসে, ততই উত্তেজনা বেড়ে যায়।
দীর্ঘ সময় ধরে স্পিলবার্গ তুলনামূলকভাবে ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল গল্পে মনোযোগ দিয়েছেন। দ্য ফ্যাবেলম্যানস-এ তিনি নিজের বেড়ে ওঠার গল্প বলেছেন এবং ‘ওয়েস্ট সাইড স্টোরি’তে ক্ল্যাসিক মিউজিককে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছেন। এবার তিনি ফিরে আসছেন সেই পুরোনো পরিচিত ময়দানে যেখানে রহস্য, প্রযুক্তি, বিস্ময় এবং অজানার আকর্ষণ একসঙ্গে কাজ করে।
‘ডিসক্লোজার ডে’-এর কাহিনী পুরোপুরি প্রকাশ করা হয়নি। তবে জানা গেছে, এটি ভিনগ্রহের প্রাণী, তাদের পৃথিবীতে আগমন এবং সেই সত্যটি আড়াল করার এক বিশাল সরকারি ষড়যন্ত্রকে কেন্দ্র করে নির্মিত। এ ধরনের কাহিনী স্পিলবার্গের জন্য নতুন নয়। বরং তার চলচ্চিত্রজীবনের অন্যতম শক্তিশালী অধ্যায় গড়ে উঠেছে এই ধারার ওপর। ‘ই.টি. দ্য এক্সট্রা টেরেস্ট্রিয়াল’, ‘ক্লোজ এনকাউন্টারস অব থার্ড কাইন্ড’ অথবা ‘ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ডস’-এ তিনি অজানা জগৎকে মানুষের আবেগের সঙ্গে যুক্ত করেছেন।
এ সিনেমাটিতে এমিলি ব্লান্ট অভিনয় করেছেন এক আবহাওয়া সংবাদকর্মীর ভূমিকায়, যার সঙ্গে ভিনগ্রহের আগন্তুকদের রহস্যজনক যোগাযোগ রয়েছে। জশ ও’কনরকে দেখা যাবে এমন এক চরিত্রে, যিনি প্রমাণ হাতে পেয়েছেন যে মানুষের সঙ্গে অন্য জগতের যোগাযোগ ইতিমধ্যেই ঘটেছে। অন্যদিকে কলিন ফার্থ অভিনয় করেছেন ক্ষমতাধর এক প্রশাসনিক ব্যক্তির ভূমিকায়, যিনি এই সত্য গোপন রাখতে যেকোনো পর্যায়ে যেতে প্রস্তুত। সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন ডেভিড কোয়েপ, যিনি আগে স্পিলবার্গের সঙ্গে ‘জুরাসিক পার্ক’-এ কাজ করেছেন।
সিনেমার উদ্বোধনী প্রদর্শনীতে চলচ্চিত্র সাংবাদিকরা মুগ্ধ হয়েছেন। প্রথম প্রতিক্রিয়ায় অনেকেই এটিকে ‘গত ২০ বছরে স্পিলবার্গের সেরা সিনেমা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তারা জানান যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, রহস্য ও প্রেমের এ টান টান মিশ্রণটি স্পিলবার্গের চিরচেনা জাদুতে ভরপুর। পাশাপাশি, মূল তারকা এমিলি ব্লান্ট তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা অভিনয় প্রদর্শন করেছেন বলে প্রশংসা পেয়েছেন।
স্পিলবার্গ মনে করেন যে, এই সিনেমাটি দর্শকদের মধ্যে মহাবিশ্ব সম্পর্কে নতুন অনেক প্রশ্নের জন্ম দিবে। ছোটবেলা থেকেই মহাকাশ নিয়ে কৌতূহলী স্পিলবার্গের কথায়, ‘আমি বিশ্বাস করি, এই মুভিটি যেমন অনেক উত্তর দেবে, তেমনি মানুষকে অনেক অজানাকে নিয়ে প্রশ্ন করতেও বাধ্য করবে।’ সবমিলিয়ে সিনেমাটি নিয়ে প্রত্যাশা আকাশচুম্বী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন