প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইয়েমেনের হুতিগোষ্ঠী সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে, যার লক্ষ্য ছিল তেল স্থাপনা, বিমানবন্দর এবং একটি সামরিক ঘাঁটি।
হুতিগোষ্ঠীর সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান। আল-মাসিরা টেলিভিশনে এই বিবৃতিটি প্রচারিত হয়। চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এই খবরটি জানিয়েছে।
ফ্রি প্রেস জার্নাল জানায়, ইয়াহিয়া সারিয়া জানান, সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে অবস্থিত রাস তানুরা তেল শোধনাগার এবং আবকাইক শহরে সৌদি আরামকোর স্থাপনা লক্ষ্য করে তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এছাড়াও, লোহিত সাগর উপকূলে অবস্থিত রাবিগ তেল শোধনাগারও হামলার লক্ষ্য ছিল।
তিনি আরও জানান, সৌদি রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের দাম্মাম শহরে কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তার দাবি, এই ড্রোন হামলার কারণে বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছে।
সারিয়া আরও দাবি করেন, সৌদি আরবের দক্ষিণ সীমান্তবর্তী নাজরান অঞ্চলে দেশটির সামরিক বাহিনীর একটি কমান্ড সেন্টারেও হামলা চালানো হয়েছে। ওই হামলায় সেনাসদস্য ও কর্মকর্তাদের হতাহত হওয়ার খবর রয়েছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, হুতিদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রিয়াদের দিকে যাওয়ার সময় সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সেগুলো ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে, হুতিরা দাবি করেছে, ইয়েমেনে তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় সৌদি বিমান হামলায় ২৭ জন নিহত হয়েছেন।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছিল, হুতিদের ছোড়া তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। এর মধ্যে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র রিয়াদ এবং একটি পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের দিকে ছোড়া হয়েছিল।
সাম্প্রতিক এসব হামলার ঘটনা ঘটেছে হুতি গোষ্ঠী ও সৌদি আরবের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার সময়ে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই পক্ষই একে অপরের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে পাল্টাপাল্টি হামলা চালাচ্ছে। ইয়েমেনে ২০১৪ সালের শেষ দিক থেকে সংঘাত চলছে।
ওই সময় হুতিগোষ্ঠী দেশটির রাজধানী সানা ও উত্তরাঞ্চলের বড় একটি অংশ দখল করে নেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালে ইয়েমেনের সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট দেশটিতে অভিযান শুরু করে। এরপর থেকে ইয়েমেনের সংঘাত আরো ছড়িয়ে পড়ে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন