প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে নতুন মূল্য ঘোষণা করে। এর ফলে ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ থেকে ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৪৫ থেকে ১৬৫ টাকায় পৌঁছেছে। নতুন দাম ২১ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২ টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
এক যৌথ বিবৃতিতে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ জানান, এর আগে কয়েক দফায় জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ঘটেছে। যদিও সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে জনগণকে আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে, জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। গত মার্চে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীও এই বিষয়ে সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছিলেন।
তারা উল্লেখ করেন, জনগণের আয় ও ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীনভাবে এক লাফে লিটারপ্রতি ২০ টাকা জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের ওপর নতুন করে মূল্যস্ফীতির বোঝা চাপাবে, যা জনগণকেই বহন করতে হবে। এর সরাসরি প্রভাব গণপরিবহন ও পণ্য পরিবহন ব্যয়, কৃষি উৎপাদন, শিল্পকারখানা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে পড়বে।
এবি পার্টির নেতৃদ্বয় দাবি করেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির আগে সরকারের উচিত ছিল এর সামাজিক ও অর্থনৈতিক অভিঘাতের পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করা। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার পুরো দায় জনগণের ওপর চাপিয়ে না দিয়ে জ্বালানি খাতে অপচয়, দুর্নীতি, অদক্ষতা ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
তারা আরও বলেন, জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক এবং নিম্নআয়ের জনগণের ওপর মূল্যবৃদ্ধির অভিঘাত কমাতে সরকারকে কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক অবিলম্বে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা ও প্রত্যাহার, জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত এবং জনগণের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।
তারা বলেন, জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। একের পর এক মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপিয়ে কোনো টেকসই অর্থনৈতিক সমাধান তৈরি করা সম্ভব নয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন