প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যে বিএনপি সরকারের উদ্যোগের অংশ হিসেবে ঢাকায় আগামী ১২ থেকে ১৫ জানুয়ারি সার্ক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই অনুষ্ঠানে সার্কের ছয়টি দেশের সংস্কৃতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করবে।
বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে বলে জানা গেছে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।
সরকার বিভিন্ন সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার এবং সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে তার অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এ অঞ্চলের প্রায় ২০০ কোটি মানুষের বৃহত্তর স্বার্থে সার্ককে কার্যকর করার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
নির্বাচনের পর রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন, ‘বাংলাদেশ সার্কের উদ্যোক্তা দেশ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে চাই। বিএনপি সরকার গঠন করলে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেবে। সরকার গঠনের পর প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করবে।’
১৯৮০-এর দশকের শুরুতে বাংলাদেশের উদ্যোগেই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণা উত্থাপিত হয়। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই উদ্যোগের প্রস্তাব ও বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় সার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপের নেতাদের স্বাক্ষরের মাধ্যমে সংস্থাটির সনদ কার্যকর হয়।
এদিকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও সার্ক পুনরুজ্জীবন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে শান্তি ও আঞ্চলিক সংহতি এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন